• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ: ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম 

     Daily Somoyernur 
    12th Oct 2026 4:57 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    ‎লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক ব্যক্তিকে আটকের পর নির্যাতন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে করা মামলায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষের নারাজি আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেওয়া হয়।
    ‎
    ‎রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এ আদেশ দেন। পরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    ‎
    ‎আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী রিনা আক্তার। তাঁর অভিযোগ, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর রায়পুর উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের বর্ডার বাজার এলাকায় রায়পুর-চাঁদপুর সড়ক থেকে তাঁর স্বামী আবদুর রহিম রনিকে আটক করেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা। ওই সময় রনির কাছে গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকা ছিল, যা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
    ‎
    ‎মামলায় রায়পুর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ, নুরুল ইসলাম, মো. আবু হানিফ, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সফিক মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন এবং কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালিকে আসামি করা হয়। তবে মামলার নথিতে নামের পুনরাবৃত্তির বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।
    ‎
    ‎তিন দফা তদন্তের পর বিচার বিভাগীয় তদন্ত : 
    ‎
    ‎আদালত প্রথমে মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা পুলিশকে নির্দেশ দেন। জেলা পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তাতে নারাজি দেন বাদী। পরে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই), নোয়াখালী কার্যালয়কে তদন্তের দায়িত্ব দেন। পিবিআইয়ের প্রতিবেদনেও নারাজি জানান বাদী।
    ‎
    ‎এরপর একই বছরের ৯ জুলাই মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে। চলতি বছরের ২ জুলাই সিআইডি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধেও গত ১৭ আগস্ট নারাজি আবেদন করেন বাদী। সর্বশেষ শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।
    ‎
    ‎বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা যথাযথভাবে তদন্ত না করে প্রভাবিত হয়ে প্রতিবেদন দিয়েছেন। তাঁর দাবি, রায়পুর থানা ও হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজের হার্ডডিস্ক জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়নি। পাশাপাশি বাদীপক্ষের সাক্ষীদের বক্তব্য যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
    ‎
    ‎আইনজীবী আরও বলেন, এসব কারণে সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আদালতে নারাজি আবেদন করা হয়। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
    ‎
    ‎পুলিশের বক্তব্য ও পরবর্তী ঘটনা :
    ‎
    ‎মামলার এজাহার অনুযায়ী, রনিকে আটকের পর তাঁর স্ত্রী বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও স্বামীর সন্ধান পাননি। পরে রায়পুর থানায় গিয়ে তাঁর মোটরসাইকেল দেখতে পান। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, স্বামীর সন্ধান চাইলে এক পুলিশ কর্মকর্তা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা দিতে না পারলে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর কথা বলেন।
    ‎
    ‎অন্যদিকে, পুলিশি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮ ডিসেম্বর রনিসহ দুজনকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একটি একনলা বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ, দেশীয় অস্ত্র, ১৮০টি ইয়াবা বড়ি ও ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটকের দাবি করে পুলিশ। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
    ‎
    ‎মামলায় নির্যাতন, অর্থ আত্মসাৎ ও ঘুষ দাবির অভিযোগগুলো বিচারাধীন। আদালতের নির্দেশে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হবে।

    Array
    আমাদের ওয়েবসাইটে কোন কনটেন্ট ভালো লাগলে প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করতে পারেন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    October 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031