Blog

  • রামগঞ্জে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    রামগঞ্জে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার উদয়পুর গ্রামে রোববার বিকেলে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চাচাকে পিটিযে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কনস্টেবল আব্দুর রহমান রাজুর বিরুদ্ধে। গ্রামবাসী মুমুর্ষ অবস্থায চাচাকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে।

    সৃষ্ট ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল আব্দুর রহমান রাজুসহ ৪জনকে আসামী করে সোমবার চাচা মোহাম্মদ উল্যাহ বাদী হযে রামগঞ্জ থানা এজাহার দায়ের করলে পুলিশ সরেজমিনে তদন্ত করে।

    রামগঞ্জ থানা প্রাঙ্গনে মঙ্গলবার বিকেলে আহত চাচার স্বজনেরা সাংবাদিকদের জানায়,চট্ট্রগ্রামের খাগড়াছড়ি থানা কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুর রহমান রাজু পুলিশের দাপট দেখি রামগঞ্জ উপজেলার উদয়পুর গ্রামের কাজিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির সম্পত্তি স্থানীয প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়। এতে চাচা মোহাম্মদ উল্যাহ বাধা দিলে পুলিশ কনস্টেবল রাজু ক্ষীপ্ত হয়ে কাঠের টুকরো দিলে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়।

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, স্থানীয প্রভাবশালী ব্যক্তির ইন্দনে এবং পুলিশে চাকুরী করে এই দাপটে ভাতিজা রাজু আমাকে কাঠের টুকরো দিযে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়,আমার চিৎকারে গ্রামবাসী ছুটে আসলে সে পালিয়ে যায় ।

    এব্যাপারে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুর রহমান রাজু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, চাচাকে পিটানো আমার অন্যায় হয়েছে।

  • লক্ষ্মীপুরে ৩ স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মরণোত্তর সম্মাননা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে ৩ স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মরণোত্তর সম্মাননা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরে ৩ জন স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রয়াত ব্যবসায়ীরা হলেন বাবু অশোক কুমার সাহা মানিক, বাবু রবি দাস নন্দী ও বাবু কাঞ্চিলাল কুরি।

    শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌর বাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরায় এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে মৃত ব্যবসায়ীদের পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।

    স্বর্ণ ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি অপূর্ব লাল রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা দিলিপ কুমার সাহা এবং প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বাজুসের সভাপতি সমির কর্মকার।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বাজুসের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পরেশ কর্মকার, সাবেক সভাপতি হরিহর পাল, পৌর বাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুরি, সহ-সভাপতি শ্রী লিটন কর্মকার ও সহ-সাধারণ সম্পাদক অজয় রায় প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, দেশের প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলার্স ব্যবসায়ীদের প্রণের সংগঠন বাজুস প্রসিডেন্ট সায়েম সোবহান আনবিরের নেতৃত্বে বর্তমানে অতিতের যে কোন সময়ের ছেয়ে এই সংগঠন অনেক সুসংগঠিত ও অনেক বেশি শক্তিশালী দেশে স্বর্ন ব্যবসার গুনগত মান উন্নয়ন সহ ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বক্তারা বাজুসের নিয়মকানুন ও সরকারি সকল নির্দেশনা মেনে সবাই একতা ঐক্যবদ্ধ থেকে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য সকল ব্যবসায়ীর প্রতি উদার্ও আহবান জানানো হয়। বাজুস লক্ষ্মীপুর পৌর শাখার নেতৃত্বগুণ, সচ্চতা ও জবাবদিহিতার সকল বক্তারা ভূয়সী প্রশংসা করেন।

     

  • ভোলাহাটে নির্যাতিত এক নারী! ঘুরছে দ্বারে দ্বারে! পাচ্ছে না ন্যায়বিচার | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    ভোলাহাটে নির্যাতিত এক নারী! ঘুরছে দ্বারে দ্বারে! পাচ্ছে না ন্যায়বিচার | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে এক নির্যাতিত অসহায় তিন সন্তানের জননী তাজকেরা পারিবারিক কলোহের জের ধরে কোন জায়গায় ন্যায্য বিচার না পেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে! তিন সন্তান নিয়ে গ্রাম্য মোড়ল, থানা এমনকি কোর্টেও বিচার চেয়ে কোন সুরাহা না পেয়ে অবশেষে জামাই-বেটির বাড়ীতেই অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে।যেনো এ দুনিয়ায় সকলেরই কাছে মাথার বোঝা হয়ে রয়েছে তাজকেরা ও তার তিন সন্তান।

    সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরধরমপুর মিস্ত্রিপাড়া গ্রামের মোঃ হাফিজুদ্দিনের মেয়ে তাজকেরা খাতুনের সাথে একই গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে সাইবুর রহমানের প্রায় ২২ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। স্বামী-স্ত্রীর দীর্ঘদিনের সংসারে সুখ-শান্তি না থাকলেও এর মাঝে তারা ৩ সন্তানের বাবা-মা হয়। তাজকেরার স্বামী সাইবুর কামলা খেটে যা রোজগার করে নিজ সংসারে পারিবারিক খরচ তেমন না করে বরং তার উপার্জিত সকল টাকা বাবা ও ভাইদের প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে তাদের দিয়ে দেয়।

    এনিয়ে অভাবী সংসারে ঝগড়া-ঝাঁটি লেগেই থাকে। জীবন-জীবিকার চাহিদা মিটাতে স্ত্রী তাজকেরা আয়ের পথ বেছে নেয়, সে বাড়ীতে গাভীপালন, হাঁসমুরগী পালন ও সেলাই মেশিনের কাজ করে সংসার নির্বাহ করে। কিন্তু চরিত্রহীন স্বামী সাইবুরের নির্যাতন থেকে কর্মঠ গৃহিনী তাজকেরা রেহাই পায়নি। হরহামেশা মারপিট ও ঝগড়া-বিবাদ লাগিয়ে রাখতো। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও ভরণপোষণ ঠিকমত দিতো না পিতা সাইবুর রহমান। সাইবুরের মেয়ে সালমা, কমেলা ও আব্দুস সামাদ(৭) পিতার নির্যাতনের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে সকলেই।

    চরিত্রহীন পিতার অত্যাচার ও নিরাপত্তাহীনতা বিবেচনায় মা তাজকেরা অপরিপক্ক বয়সে মেয়ে দু’জনের বিয়ে দিতে বাধ্য হয়। গরু, হাঁসমুরগী পালন আর সেলাই মেশিনের কাজ করে তাজকেরা সংসারের ব্যয় নির্বাহ করে। গরু বেঁচে ও জমানো টাকা দিয়ে মেয়ে-জামাইদের সুখের কথা ভেবে তাদের টাকা প্রদান করে তাজকেরা।এদিকে স্বামীর অত্যাচারের প্রেক্ষিতে তাজকেরার নামীয় অর্ধকাঠা বসতজমি স্বামীকে রেজিষ্ট্রি দেয় ও স্ত্রী তাজকেরার মা আলেমা বেগম পৌনে এককাঠা বাস্তভিটার জমি মেয়ে তাজকেরার সুখের কথা ভেবে জামাই সাইবুরকে কিনে দেয়।

    তারপরেও সাইবুর স্ত্রী তাজকেরাকে শারীরিক নির্যাতনআর ষ্টিমরোলার চালিয়ে যেতো।

    গত ২৩ জুন দুপুরে অত্যাচারী স্বামী সাইবুর যখন কামলা খেটে বাড়ী আসে, ঐ সময়ে তাজকেরা চূলায় রান্না করছিলো এবং ডাল হাঁড়িতে সিদ্ধ হচ্ছিল।এ সময়ে স্বামী সাইবুর ছোট মেয়ে কমেলার সাথে কৃষিকাজ নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে বাবা মেয়েকে অকথ্য ভাষা যা মুখে আনা যায় না ব্যবহার করলে স্ত্রী বাধা দিলে স্ত্রীর উপর চলে ষ্টিমরোলার। তাজকেরাকে মারপিটের এক পর্যায়ে পাষণ্ড স্বামী স্ত্রীর গলা চিপে ধরে এবং হাতে কামড় দেয়। তাতেও ক্ষান্ত না হয়ে স্বামী সাইবুর ’বটি’ নিয়ে স্ত্রী ও মেয়ের উপর চড়াও হলে নিজের ও মেয়ের জীবন বাঁচাতে তাজকেরা ডালের হাঁড়ি ফেলে দিলে গরম ডাল ছিটকে স্বামীর গায়ে পড়ে যায় এবং মা ও মেয়ে প্রাণে রক্ষা পায়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাজকেরার স্বামী সাইবুরের ভাই অহেদুর, মনিরুল ও পিতা আব্দুস সাত্তারসহ আত্মীয়রা অমানবিক পন্থায় তাজকেরা, তার মেয়ে সালমা, কমেলাসহ ৬ জনের নামে ভোলাহাট থানায় মামলাকরে। আহত তাজকেরা ভোলাহাট স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা গ্রহণ করে। একইস্থানে স্বামী সাইবুরও চিকিৎসা করে।কিন্তু সমাজের চোখে বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে ভোলাহাট থানা জুলমবাজ স্বামী সাইবুরের বড়ভাই অহেদুরের মামলা গ্রহণ করলেও নির্যাতিত নারী তাজকেরার মামলা থানা নেয়নি।নির্যাতনকারী পক্ষের দায়ের করা মামলায় অসহায় তাজকেরার দু’মেয়েসহ হাজতবাস হয়।জামিনে এসে তাজকেরা দেখে তার বাড়ীঘরের মালামাল সবকিছুই লুটপাট করে নিয়ে বাদীপক্ষ তাজকেরার ঘরে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। কুলহীন নারী তাজকেরা উপায়ন্তর না পেয়ে মেয়ে-জামাইয়ের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে।

    কান্না জড়িতকণ্ঠে ভাঙ্গাস্বরে তাজকেরার ছোট মেয়ে কমেলা জানায়, বাবা সাইবুর আমার মায়ের সাথে সবসময় অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন করতো।বাবার কাছে কোনসময় আদর, স্নেহমমতা পাইনি।বেশীরভাগ সময় নানান খারাপ ভাষায় গালমন্দ করতো।বাবার কাছে লেখাপড়ার স্কুলের শেসন-ফি, বইপত্র-গাইড কেনার জন্য টাকা চাইলে, ভাল একটা পোষাকের দাবী করলে টাকা নেই বলে মারধর করতো।সে আরো জানায়, আমার স্কুলের উপবৃত্তির টাকা আমাকে বা আমার মায়ের হাতে দিতো না।সম্পূর্ণ টাকা বাবা তার কাছেই রেখে দিতো।আমার উপবৃত্তির টাকা দিয়েই দশমশ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি।বাবা কোন সময়ই আমাদের লেখাপড়া আমার ভাইবোন কারই প্রতি ভ্রুক্ষেপ ছিলো না।বাবা আমাদের জন্মই দিয়েছে, বাবার দায়দায়িত্ব পালন করেননি বলেই আর কথা বলতে পারেনি কমেলা।কমেলার এ মায়াকান্নার দৃশ্য দেখে প্রতিবেদকেরও চোখে পানি চলে আসে।

    তাজকেরা বেগম তারও ভাঙ্গা কান্নায় বলেন, আমি স্যার সংসারের ছেলেমেয়েদের দু’বেলা দু’মুঠো আহার যোগাড় করতে পুরুষের মত মাঠে-ঘাটেও কাজ করেছি।তবুও ভাল আমার সন্তানেরা সুখে থাক শান্তিতে থাক।ভাঙ্গা কান্নায় তাজকেরা বলে, সংসার করতে স্বামী-স্ত্রী দু’জনার মধ্যে একটু-আধটু ঝগড়া হয়তো হয় স্যার, আমাকে এমনভাবে লাঠি দিয়ে মারধর করে যা আপনাদের সামনে ভাষায় বলতে পারবো না।আমি বাড়ীতে এসে দেখি আমার বাড়ীতে থাকা গরু বিক্রি করা ২লাখ ৬০হাজার নগদ টাকা, ৩ ভরি সোনা, ৩টি বাইসাইকেল, ৩টি গরু, ৭টি ছাগল, ঘরে থাকা ৪ মন আলু, ২ মন সরিষাসহ সংসারের যাবতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিছুই নেই।

    এমনকি আমি বাড়ীতে এসে দেখি ঘরে দরজায় তালা মারা রয়েছে।আমি এখন আমার বেটি-জামাইয়ের বাড়ীতে বসবাস করছি।আমার এহেন অবস্থার জন্য আপনাদের মাধ্যমে সরকার বাহাদুরের কাছে ন্যায্য বিচারের জোর দাবী করছি স্যার!

    মাত্র ৭ বছরের শিশু আব্দুস সামাদকে তার বাবা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে ভাঙ্গা কান্নায় বলে, হামার জ্ঞান পাই তখন পোষাক লিতে যাই, (হাতের ইশারাই দেখিয়ে) এভাবে হামাকে কিল মাড়ে। পেটে ও ঘাড়ে মারে! বলেই ভাঙ্গা কান্নায় ছোট্ট এ আব্দুস সামাদের আর কোন কথা বুঝা যায়নি।

    এই অসহায় নারীর ঘটনাটি ভোলাহাটের আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হচ্ছে।

    সবার মুখে একটাই প্রশ্ন দেশের আইনের শাসন কি মুখ থুবড়ে পড়েছে? অসহায় তাজকেরার দু’মেয়েসহ ৭ বছরের ছোট্ট ছেলে আব্দুস সামাদ কি পাবে না আইনী সাপোর্ট আর ন্যায় বিচার?

     

  • লক্ষ্মীপুরে সড়কের ৪ লেনের কাজ দ্রুত শুরু করার দাবি করেছেন ড. রেজাউল করিম | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে সড়কের ৪ লেনের কাজ দ্রুত শুরু করার দাবি করেছেন ড. রেজাউল করিম | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত ৪ লেনে উন্নীত করার কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন ড. রেজাউল করিম।

    বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব হলরুমে শহর ও চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, লক্ষ্মীপুর-চৌমুহনী সড়কটি জেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রধান সংযোগ সড়ক। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ এ সড়কে চলাচল করে। একই সঙ্গে এটি জেলা সদর, কমলনগর, রামগতি ও রায়পুর উপজেলার কৃষিপণ্য, মাছ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রোগী পরিবহনের প্রধান মাধ্যম।

    বর্তমানে সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। রিকশা, অটোরিকশা, সিএনজি, ট্রাকসহ ভারী যানবাহনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, যাতে প্রাণহানিও ঘটছে। সরকারি অবহেলার কারণে লক্ষ্মীপুরবাসীর জন্য এই সড়ক ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। জেলার মধ্যে কোনো রেলপথ বা আকাশপথও নেই। প্রায় ১৯ লাখ মানুষের জন্য এটি একমাত্র ভরসার পথ।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ লক্ষ্মীপুর-চৌমুহনী সড়কটি ৪ লেনে উন্নীত করার একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করে। এতে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২৬৬ কোটি টাকা। তবে এখনও প্রকল্পটি অনুমোদন হয়নি।

    জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, গত তিন বছরে এই সড়কে ৫৯ জনের মৃত্যু ও অন্তত ৪০টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে, যাতে আহত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ও সদর( ৩) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ. আর. হাফিজ উল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নাসির উদ্দীন, পৌর আমির অ্যাডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ এবং চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খান সুমন প্রমুখ।

  • চন্দ্রগঞ্জে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১তম জন্মাষ্টমী উদযাপনে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা

    চন্দ্রগঞ্জে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১তম জন্মাষ্টমী উদযাপনে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১তম জন্মাষ্টমী উপলক্ষে চন্দ্রগঞ্জ কালিমন্দিরে শনিবার (১৬ আগস্ট) আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রার। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ শোভাযাত্রা সকাল ১০টায় কালিমন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে চন্দ্রগঞ্জ বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মন্দিরে এসে শেষ হয়।
    শোভাযাত্রায় রঙিন সাজসজ্জা, বাদ্যযন্ত্রের সুর, শঙ্খধ্বনি ও নানা বয়সী ভক্ত-অনুরাগীদের উপস্থিতি পুরো এলাকা উৎসবমুখর করে তোলে।

    পরে কালিমন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় চন্দ্রগঞ্জ থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বাবু জয় দেব নাথ বলেন, শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ মানবতার পথপ্রদর্শক। তাঁর শিক্ষা সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় অনন্য উদাহরণ।

    চন্দ্রগঞ্জ থানা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি বাবু সমীর কর্মকার বলেন, জন্মাষ্টমী কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি ন্যায়, সত্য ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা বহন করে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবু চন্দন কর্মকার, চন্দ্রগঞ্জ বাজার শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির কমিটির সাাধারন সম্পাদক বাবু প্রণতোষ কর্মকার, সহ-সভাপতি বাবু গনেশ কুরী, সহ-সভাপতি বাবু বিধান পাল, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক বাবু কাকন কুরী, চন্দ্রগঞ্জ থান যুব ঐক্য পরিষদের আহবায়ক বাবু অঞ্জন কুরীসহ ঐক্য পরিষদ, পূজা পরিষদ, যুব ঐক্য পরিষদ, চন্দ্রগঞ্জ হিন্দু কল্যাণ সংঘসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও অনেক ভক্তবৃন্দ।

    আলোচনা শেষে পূজার্চনা ও প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

  • মুজিববাদের জন্য নতুন করে যারা কান্না করে তারা ফ্যাসিবাদের দালাল : জামায়াত নেতা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    মুজিববাদের জন্য নতুন করে যারা কান্না করে তারা ফ্যাসিবাদের দালাল : জামায়াত নেতা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :
    জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে শহীদ মুগ্ধ, শহীদ আবু সাঈদের মায়েদের সামনে যারা মুজিববাদের জন্য নতুন করে কান্না করেন তারা ফ্যাসিবাদের দালাল, তাদের রুখে দিতে হবে।

    শনিবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় জামায়াতের যুব বিভাগ লক্ষ্মীপুর শহর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত যুব দায়িত্বশীল সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে এ আয়োজন হয়।

    রেজাউল করিম বলেন, যেনতেন পদ্ধতির নির্বাচন ভুলে যান। কে কাকে দিয়ে ক্ষমতায় আসবেন সেই প্রতিযোগিতা ভুলে যান। প্রতিদিন জনপ্রিয়তা নামতেছে এজন্য কেউ কেউ ভাবছেন দ্রুত নির্বাচন হলে ভালো।

    জনপ্রিয়তা নামতে নামতে যদি দেরি হয় মাটির তলানিতে চলে যাবে। এজন্য দ্রুত নির্বাচন চায়।

    আমরা বলি, দ্রুত নয় ফেব্রুয়ারিতেই হোক, কিন্তু সংস্কার হতে হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার হতে হবে। নতুন করে যারা মুজিববন্দনা শুরু করেছে তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। মুজিববাদের জন্য নতুন করে যারা কান্না করে তারা ফ্যাসিবাদের দালাল

    ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি ভুলে গেছেন আপনি শহীদদের রক্তের পতাকার ওপর দাঁড়িয়ে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। একটি দলের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে জুলাই ঘোষণাপত্র পড়ে গোটা জাতিকে আপনি হতাশ করেছেন।

    জুলাই সনদ তার আইনের ভিত্তির মাধ্যমে যদি ড. ইউনূস সাহেব দিতে ব্যর্থ হন, সেদিন থেকেই দ্বিতীয় বিপ্লবের সূচনা হবে।

    তিনি আরও বলেন, লক্ষ্মীপুরে একদিন আগে বিপ্লব হয়েছিল। সুতরাং জুলাই বিপ্লব, জুলাই সনদের ঘোষণা, প্রতিকার, স্পিরিট যদি ইউনূস সাহেব ধারণ করতে ব্যর্থ হন, কারো রক্ত চক্ষুকে আপনি যদি ভয় পান, তাহলে মনে রাখবেন এই লক্ষ্মীপুরের মাটি থেকেই একদিন আগে আন্দোলন শুরু হবে।

    লক্ষ্মীপুর যুব বিভাগের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্যাহ, সহকারী সেক্রেটারি মহসিন কবির মুরাদ, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান ও সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • লক্ষ্মীপুরে অস্ত্র ও মাদকসহ যুবদল নেতা ফরিদকে আটক করেছে যৌথবাহিনী | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে অস্ত্র ও মাদকসহ যুবদল নেতা ফরিদকে আটক করেছে যৌথবাহিনী | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরে একনলা বন্দুক ও মাদক সহ যুবদল নেতা এ.কে.এম ফরিদ উদ্দিনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

    সোমবার (১১ আগস্ট) রাত ১ টার দিকে সদর উপজেলার পালের হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে একই ইউনিয়নের নাঈম নামের আরেক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক উদ্ধার করা হয়।

    ফরিদ উদ্দিন জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
    অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খান।

    তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় একনলা একটি বন্দুক, মদ, ইয়াবা, নগদ টাকা ও জুয়া খেলার বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়। আটক দুজনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হোক।

  • লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো প্রবাসীর বাড়িতে জামায়াত নেতা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো প্রবাসীর বাড়িতে জামায়াত নেতা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি  :

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাইক্রোবাস খালে পড়ে লক্ষ্মীপুরের একই পরিবারের নিহত ৭ জনের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
    এ সময় পাশাপাশি কবরস্থানে থাকা ৬ জনের কবর জিয়ারত করেন।

    জিয়ারত  পর তিনি বলেন, যে মর্মান্তিক ঘটনা এখানে হয়েছে সেটি শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা দুনিয়ার মানুষকে আলোড়িত করেছে। এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়।
    চালককে বারবার বলার পরও সে কর্ণপাত করেনি,সে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালিয়েছে। চালকের লাইসেন্স ও বয়সের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

    রোববার(১০ আগষ্ট) সকালে নেতাকর্মীদের নিয়ে সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের পশ্চিম চৌপল্লী গ্রামের ওমান প্রবাসী বাহার উদ্দিনের বাড়িতে উপস্থিত হন তিনি। এ সময় প্রবাসী বাহার ঘটনার জন্য মাইক্রোবাসের মালিক এবং চালককে দায়ী করে তাদের বিচারের দাবি করেন।

    ড.রেজাউল করিম আরো বলেন, মালিক পক্ষ একটা ট্রিপ শেষ করার আগেই আরেকটা ট্রিপ রেডি করেন। চালককে বলে দেয়া হয় এত সময়ের মধ্যে আরেকটা ট্রিপ ধরতে হবে।

    তখন চালকরা বেপরোয়া হয়ে যায়। এ কাজটি মালিক করেছে কিনা তাও দেখতে হবে। এছাড়া গাড়ির মালিক নাকি নিহতদের স্বজনের গায়েও হাত দিয়েছে। আমরা মালিককে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি কামনা করছি। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমন, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ, উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আলাউদ্দিন আজাদ প্রমুখ।

    প্রসঙ্গত, প্রবাসী বাহারকে নিয়ে তার স্বজনরা বুধবার (৬ আগস্ট) ভোরে বাড়ি ফেরার পথে বেগমগঞ্জের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজার এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবারের ৪ জন নারী ও ৩ জন শিশু মারা যায়।

    এ ঘটনায় শুক্রবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে বেগমগঞ্জ থানায় প্রবাসী বাহারের বাবা আবদুর রহিম বাদী হয়ে চালক এনায়েত হোসেন আকবরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আকবর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের চরচামিতা এলাকার পাটওয়ারী বাড়ির মৃত ফয়েজ আহমেদের ছেলে।

  • লক্ষ্মীপুর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    নিহত গৃহবধূর নাম ফাতেমা বেগম (২৬)। অভিযুক্ত মো. হাসান টুমচর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কালিচর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে।

    রোববার (১০ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিহত ফাতেমার পরিবারের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ  করেন।

    পরিবারটি জানায়, ফাতেমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    নিহতের ভাই আবু হেনা বলেন, ‘হাসান ও ফাতেমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ৭ বছর আগে তারা বিয়ে করে। বিয়ের ৩ মাস পর থেকেই হাসান আমার বোনকে নির্যাতন করত। তাদের সংসারে দুটি মেয়ে ও ৬ মাস বয়সি একটি ছেলে রয়েছে।

    গত বুধবার (৬ আগস্ট) ফাতেমা আমাদের বাড়িত আসে স্বামীর চাওয়া যৌতুকের এক লক্ষ টাকা  নিতে। যে টাকা  দেওয়ার জন্য গত কয়েকদিন যাবৎ তার উপর নির্যাতন চালিয় আসছিল। আমরা টাকা দিতে নাপারায় সে খালি হাতে শশুর বাড়েতে ফিরে যায়। পরদিন সকালে আমরা জানতে পারি, ফাতেমা আর বেঁচে নেই। পরে তার স্বামী হাসান তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।’

    তিনি আরও জানান, ‘হাসানের পরকীয়ার বিষয়েও ফাতেমা তাকে জানিয়েছিল। সে ভিডিওকলে অন্য মেয়ের সঙ্গে কথা বলত। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া হলে আমার বোনকে আরও মারধর করত।

    ফাতেমার পরিবার অভিযোগ করে, হত্যাকাণ্ডের পর হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ থানায় নিলেও পরবর্তীতে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকনের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা নেওয়া হয়নি, বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তাদের।

    অভিযুক্ত মো. হাসান দাবি করেন, ‘আমি ফাতেমাকে হত্যা করিনি। সে স্ট্রোক করে মারা গেছে।’

    এদিকে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকন বলেন, ‘দুই পক্ষ থানায় উপস্থিত ছিল। আপাতত পুলিশ হাসানকে আমার জিম্মায় দিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ভোরে ফাতেমাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরে দুপুরে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

    এ ঘটনা প্রসঙ্গে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ বলেন, ‘হাসানকে আটক করা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছিল। পরে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে যুবদল নেতা লিংকনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • লক্ষ্মীপুরে অস্ত্র-ইয়াবা যেন এক সূত্রে গাঁথা, ৩ যুবক আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে অস্ত্র-ইয়াবা যেন এক সূত্রে গাঁথা, ৩ যুবক আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবাসহ ৩ যুবককে আটক করেছে যৌথবাহিনী। এসময় কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র, টাকা ও একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

    শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    আটকরা হলেন- আহম্মদ ফারুক রবিন, আহম্মদ আল আরেফিন রিমন ও আহসান আহম্মেদ। আটক রবিন ও রিমন পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার মনির হোসেন মেম্বারের ছেলে এবং এহসান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বাঞ্ছানগর এলাকার তোফায়েল আহম্মদের ছেলে।

    সেনাবাহিনী জানায়, অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ২টি এলজি পিস্তল, ৩টি রাম দা, ৫টি চাকু, একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২টি গুলি, ৮৩ পিস ইয়াবা, একসেট সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম, নগদ ৩৬ হাজার টাকা, মাদক ব্যবসার হিসাবের ৪টি খাতা, এক বান্ডেল ইয়াবা প্যাকেট করার ফুয়েল উদ্ধার করা হয়েছে।

    লক্ষ্মীপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মো. রাহাত খাঁন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। আটকদের থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অস্ত্রগুলো দিয়ে তারা মানুষকে ভয়ভীতি দেখাতো।

    লক্ষ্মীপুরের সচেতন মহল মনে করেন, অস্ত্র আর নেশা একই সূত্রে গাঁথা। এই সংজ্ঞবন্ধ চক্রটি জেলা ব্যাপী ইয়াবাসহ অন্যান্য নেশা দ্রব্যের অবৈদ ব্যবসার পাশা-পাশি সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে চুরি ডাকাতি ও চাঁদা- বাজি গত এক সপ্তাহে জেলা সদরের চন্দ্রগঞ্জ থানা এলাকায় কয়েকটি বাড়ীতে ডাকাতির পাশাপাশি বাজারের এক ব্যবসায়ী বাড়িতে যাওয়ার পথে তাকে  অস্ত্রের মুখে রেখে এক লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। সে সন্ত্রাসীদের ভয়ে থানায় অভিযোগ করার সহস পর্যন্ত পায়নি।

    তাই,এদের অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি এদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতাদের ও চিহ্নিত করা সময়ের দাবী।