ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo চন্দ্রগঞ্জের উপজেলার প্রথম ইউএনও নিলুফা ইয়াসমিনের দক্ষ নেতৃত্বে আস্থার নতুন দিগন্ত | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম Logo চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে ফোর লেন প্রকল্পের জমিতে উচ্ছেদ হয়নি দোকানপাট, জনমনে প্রশ্ন Logo চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম Logo চন্দ্রগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে হিফজ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম Logo আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে দেশজুড়ে ছুটির ঘোষণা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম Logo গরমে স্বস্তি এনে দেবে ঘরে তৈরি আম-নারকেলের ললি | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম Logo চন্দ্রগঞ্জ থানার নবাগত ওসির সঙ্গে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম Logo মাদক সম্রাটদের বিরুদ্ধে রাজনীতিবিদরা কোনো পদক্ষেপ নেয় না: হাসনাত আব্দুল্লাহ Logo লক্ষ্মীপুরে রওশন জাহান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজে ও হাসপাতালে(ইউনানি) নবীন বরণ অনুষ্ঠিত  Logo লক্ষ্মীপুরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

লক্ষ্মীপুরের ১১ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট এর সময় : ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • ২০৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মো. শাহ জালাল নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

সদরের চরশাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান ভূঁইয়াকে ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি     জবাই করে হত্যার ঘটনায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ঘটনার পর ১১ বছর তিনি পলাতক ছিলেন। গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেন।

গ্রেফতার জালাল সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের আব্দুল হক বেপারীর ছেলে।

র‌্যাব ও মামলা সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ২১ মে রাতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মান্নানকে জবাই করে হত্যা করা হয়। রাতেই বাড়ির পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঘটনার ৪ দিন পর নিহতের স্ত্রী আঞ্জুম আরা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০১৫ সালের ২ জুন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করে ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শাহেনূর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে রায়ের দিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কফিল উদ্দিন ছাড়া বাকিরা পলাতক ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আবদুর রহমান ও মো. জয়নাল। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. জুলফিকার, খোরশেদ আলম, ইয়াসিন আরাফাত রাফি, মো. মুক্তার।

র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব গোয়েন্দা কার্যক্রম চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে জালালকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নিজেকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :

চন্দ্রগঞ্জের উপজেলার প্রথম ইউএনও নিলুফা ইয়াসমিনের দক্ষ নেতৃত্বে আস্থার নতুন দিগন্ত | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

লক্ষ্মীপুরের ১১ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

আপডেট এর সময় : ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মো. শাহ জালাল নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

সদরের চরশাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান ভূঁইয়াকে ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি     জবাই করে হত্যার ঘটনায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ঘটনার পর ১১ বছর তিনি পলাতক ছিলেন। গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেন।

গ্রেফতার জালাল সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের আব্দুল হক বেপারীর ছেলে।

র‌্যাব ও মামলা সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ২১ মে রাতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মান্নানকে জবাই করে হত্যা করা হয়। রাতেই বাড়ির পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঘটনার ৪ দিন পর নিহতের স্ত্রী আঞ্জুম আরা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০১৫ সালের ২ জুন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করে ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শাহেনূর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে রায়ের দিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কফিল উদ্দিন ছাড়া বাকিরা পলাতক ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আবদুর রহমান ও মো. জয়নাল। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. জুলফিকার, খোরশেদ আলম, ইয়াসিন আরাফাত রাফি, মো. মুক্তার।

র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব গোয়েন্দা কার্যক্রম চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে জালালকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নিজেকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।