Blog

  • সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নতুন চমক ফেইসরিলেশন | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নতুন চমক ফেইসরিলেশন | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :

    ডিজিটাল যুগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মতামত শেয়ার এবং অর্থবহ সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রচলিত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর একঘেয়েমি আর ব্যবসায়িক কৌশলের বাইরে গিয়ে, সত্যিকার সম্পর্ক গড়ার সুযোগ তৈরি করতে এসেছে ফেইসরিলেশন (FaceRelation.com)।

    বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর ব্যবহারকারী সংখ্যা যেখানে ৩.০৭ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে, সেখানে ফেইসরিলেশন কেন আলাদা?

    এই প্ল্যাটফর্ম প্রকৃত ব্যবহারকারী প্রোফাইলের গুরুত্বে বিশেষ জোর দেয়। এখানে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ব্যবহারকারীদের পরিচয় বহুস্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই করা হয়, ফলে ভুয়া প্রোফাইল এবং ছদ্মবেশে অনলাইন পরিচয় গ্রহণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।

    ফেইসরিলেশনে জনপ্রিয় বা ভাইরাল কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া অ্যালগরিদমের উপর নির্ভর করা হয় না। এর পরিবর্তে, সম্পর্ক-ভিত্তিক অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়, যা বন্ধু, পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ সংযোগগুলোর কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

    ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের জন্য প্রকৃত অর্থে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাসঙ্গিক পোস্টগুলো দেখতে পাবেন।

    ডেটা সুরক্ষায় শীর্ষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে ফেইসরিলেশনে। এই প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা সমস্ত বার্তা ও কনটেন্ট এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন দ্বারা সুরক্ষিত থাকে, ফলে তৃতীয় কোনো পক্ষ ডেটা ইন্টারসেপ্ট করতে পারবে না।

    এছাড়াও নিরাপত্তার স্তরকে আরও এক ধাপ উন্নত করতে ফেইসরিলেশন ব্যবহারকারীদের জন্য বহুস্তরীয় প্রমাণীকরণ (multi-factor authentication) এবং বায়োমেট্রিক সাইন-ইন সিস্টেমের (biometric sign-in) সুবিধা যোগ করতে যাচ্ছে।

    ফেইসরিলেশনের ইভেন্ট-শেয়ার ফিচারটি ব্যবহারকারীদেরকে ছোট সমাবেশ থেকে বড় সম্মেলন পর্যন্ত যে কোনো ধরণের ইভেন্ট আয়োজন এবং বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানোর সুযোগ দিচ্ছে। এখানে RSVP পরিচালনা সহজ ও ব্যবহারবান্ধব হবে।

    এই প্ল্যাটফর্মের ইউজার-কেন্দ্রিক ফিড নীতির ফলে, ক্লিকবেইট এবং চাঞ্চল্যকর কনটেন্টের প্রচার সীমিত থাকে। এতে ব্যবহারকারীরা উপকারী ও সত্যিকারের যোগাযোগের অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন। নতুন করে এতে যোগ হচ্ছে বহুস্তরীয় প্রমাণীকরণ (Multi-Factor Authentication) ও বায়োমেট্রিক সাইন-ইন সুবিধা ও নতুন নিরাপত্তা স্তর।

    যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসল, নিরাপদ এবং অর্থবহ সম্পর্ক গড়তে চান, তাদের জন্য ফেইসরিলেশনই হতে পারে পছন্দের নতুন মাধ্যম। উদ্যোক্তারা আশা করছেন, এটি বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ার অভিজ্ঞতায় একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।

  • প্লাবনের পানিতে লক্ষ্মীপুরে উপকূলীয় এলাকার মানুষের দুর্ভোগ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    প্লাবনের পানিতে লক্ষ্মীপুরে উপকূলীয় এলাকার মানুষের দুর্ভোগ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    মেঘনা নদীতে অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় এলাকার ৪০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্রায় ২ লাখ মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৯ মে) মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। গাছপালা উপড়ে পড়ে কয়েকটি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    উপকূলীয় ঘরবাড়িতে রাতেও পানি ওঠার আশঙ্কায় কিছু বাসিন্দা উঁচুস্থানে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

    এদিন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে রামগতি, কমলনগর ও রায়পুর উপজেলার নদী তীরবর্তী ৪০টিরও বেশি গ্রামের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ জনপদে পানি ঢুকে পড়ে।

    সকাল থেকে টানা বৃষ্টি হলেও দুপুর থেকে লোকালয়ে পানি উঠতে শুরু করে। যদিও সন্ধ্যায় জোয়ারের পানি নেমে যায়, ততক্ষণে দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর সদরের চর রমনী মোহন, রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী, দক্ষিণ চরবংশী, কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন, পাটারিরহাট, চরকালকিনি, সাহেবেরহাট, চরফলকন, রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার, চর রমিজ, বড়খেরী ও চরগাজী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী অন্তত ৪০টিরও বেশি গ্রামে পানি ঢুকেছে। এতে বাড়িঘর, ফসলি ক্ষেত, হাটবাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ জনপদ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে গেছে।

    চরমার্টিনের বাসিন্দা রফিক ও কালু জানান, নদী তীরবর্তী বাঁধ না থাকায় সহজেই লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। তীররক্ষা কাজ চলমান থাকলেও এখনো বাঁধ নির্মাণ হয়নি।

    কমলনগরের নাছিরগঞ্জের বাসিন্দা বদিউল আলম বলেন, নদী থেকে আমাদের বাড়ি খুবই কাছে হওয়াতে জোয়ারের পানি দ্রুত বাড়িতে ঢুকে যায়। বাঁধের কাজ এখনো হয়নি। এটি দ্রুত শেষ না হলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই জোয়ারের পানিতে ভোগান্তি চলতেই থাকবে।

    কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ জামান বলেন, আমি মাতব্বরহাট, পাটারিরহাট, ফলকন, চরমার্টিন, চর লরেন্স, তোরাবগঞ্জ, কালকিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছি। বেশ কিছু এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান জানান, লক্ষ্মীপুরে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতায় বৃদ্ধি পেয়েছিল। নদী উত্তাল থাকলেও এখন ভাটার ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

  • লক্ষ্মীপুরে ৭০০ স্বর্ণের দোকান বন্ধ, বৃষ্টিতে ভিজে মানববন্ধন | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে ৭০০ স্বর্ণের দোকান বন্ধ, বৃষ্টিতে ভিজে মানববন্ধন | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রিপনুল হাসানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে বৃষ্টিতে ভিজে জেলা শহরের স্বর্ণকার রোডে এ মানববন্ধন করা হয়।

    কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে জেলার প্রায় ৭০০ স্বর্ণের দোকান বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাজুসের জেলা কমিটির সভাপতি সমীর কর্মকার, সহ-সভাপতি খোকন দেবনাথ, রানা কুমার পাল, সহদেব কুরী, জুলহাস কুরী, সাধারণ সম্পাদক পরেশ কর্মকার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গণেশ কুরী ও অঞ্জন কুরী প্রমুখ।

    সংগঠনটির জেলা কমিটির সভাপতি সমীর কর্মকার বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় নেতা রিপনুল হাসানকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রতিবাদ জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরের প্রায় ৭০০ ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

    সাধারণ সম্পাদক পরেশ কর্মকার বলন, মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করলে ব্যবসায় বাধাগ্রস্ত হই। আমাদের সারাজীবনের সঞ্চিত অর্থ একদিনে এসে মিথ্যা মামলা দিয়ে তা নিয়ে যায়। আমাদের নেতাকে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে। তা না হলে কেন্দ্রীয় নেতারা আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।

    প্রসঙ্গত, বুধবার (২৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর স্বর্ণ ব্যবসাকেন্দ্র তাঁতীবাজারে অবস্থিত নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে রিপনুল হাসানকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

  • নিম্নচাপে মেঘনা উত্তাল, নৌযান চলাচল বন্ধ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিম্নচাপে মেঘনা উত্তাল, নৌযান চলাচল বন্ধ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :
    উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় মেঘনা নদী উত্তাল হয়ে উঠছে।

    বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ভোর রাত থেকে মাঝারি আকারে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। নদী উত্তাল হওয়ায় মেঘনা নদীর লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল রুটে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

    এদিকে নদী উত্তালের কারণে ভোররাতে ভোলার উদ্দেশ্যে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীর হাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি বেগম সুফিয়া কামাল ও বেগম রোকেয়া ফেরত আসার চেষ্টা করে।

    বেগম সুফিয়া কামাল মজুচৌধুরীরহাট ঘাটে এসে ভিড়তে পারলেও ফেরি বেগম রোকেয়া কমলনগর উপজেলার মতিরহাট এলাকায় আটকা পড়ে। এর মধ্যে সুফিয়া কামালে চারটি লাশবাহী গাড়ি রয়েছে।

    ভোলা ফেরিঘাটের সহ-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. আতিকুজ্জামান বলেন, ‘নদীতে এখন ভাটা। এজন্য মতিরহাট এলাকায় ফেরি বেগম রেকেয়া আটকে আছে। জোয়ার এলে ফেরিটি মজুচৌধুরীরহাট ঘাটে ফিরবে।’

    উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় মেঘনা নদী উত্তাল হয়ে উঠছে

    তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর-ভোলা রুটে পাঁচটি ফেরি চলাচল করে। বেগম রোকেয়া ছাড়া অন্য চারটি ফেরি মজুচৌধুরীরহাট ঘাটে রয়েছে। নদী উত্তাল হওয়ায় ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে রাখার সুযোগ নেই।’

    মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে নদীতে সতর্কতা সংকেত দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা-বরিশালের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল।

    সংকেত থাকা পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল রুটে পাঁচটি লঞ্চ চলে। এরমধ্যে দুটি বরিশাল যায়। লঞ্চগুলোর মধ্যে তিনটি এখন মজুচৌধুরীর হাট ঘাটে রয়েছে।’

  • লক্ষ্মীপুরে কফিল উদ্দিন কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে কফিল উদ্দিন কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ বিভিন্ন কলেজে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেলে লক্ষ্মীপুর জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্যাহ আল মামুন যৌথ স্বাক্ষরের মাধ্যমে এসব কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এতে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের ২৪ সদস্যের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়। কমিটিতে মেহেরাব হোসেনকে আহবায়ক, শাহাদাত হোসেন রিংকুকে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, আজিম হোসেন হারুনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

    এছাড়াও ফয়সাল আহমেদ সজীব, সাইফুল ইসলাম হৃদয়, সৌরভ হোসেন, রবিউল আউয়াল চৌধুরী, রেদোয়ান হোসেন মুন্নাকে যথাক্রমে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

    এ দিকে সদর উপজেলার মান্দারী জিল্লুর রহিম কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ওমর ফারুক হৃদয়কে সভাপতি, শাওন পাটোয়ারীকে সাধারণ সম্পাদক, নুরুল আলম সজীবকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মো. রায়হানকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জান্নাত আক্তারকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়।

    এ দিকে দীর্ঘদিন পর বিভিন্ন বিশ্ববিবিদ্যালয় ও কলেজ কমিটি নিয়ে ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতাসহ নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসব-মুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল।

    এ নিয়ে পদপ্রত্যাশী নেতাদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়াসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ স্ব-স্ব কলেজে গিয়ে পদপ্রত্যাশীদের সঠিক ছাত্রত্ব নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত করে অবশেষে কমিটি ঘোষণা করেন।

  • লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের ডাকাত নাছিরের ভাগিনা ৯ মামলার এজাহারভূক্ত আসামী সন্ত্রাসী ইমরান গ্রেফতার।

    লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের ডাকাত নাছিরের ভাগিনা ৯ মামলার এজাহারভূক্ত আসামী সন্ত্রাসী ইমরান গ্রেফতার।

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর চন্দ্রগঞ্জে ৯মামলার এজাহারভূক্ত ওয়ারেন্টের আসামী সন্ত্রাসী ইমরানকে গ্রেফতার করেছে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম।

    মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের টুইন টাওয়ার এর সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ইমরান চন্দ্রগঞ্জ ইউপির দেওপাড়া গ্রামের কড়িম উদ্দিন মোল্লা পুরাতন বাড়ির তাজুল ইসলাম সুমনের ছেলে।

    ইমরানের বাবার মূল বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার চাটখিলে। দেওপাড়া তার নানার বাড়ি। সে চন্দ্রগঞ্জের আলোচিত ডাকাত নাছিরের ভাগিনা।

    জানাযায়, টুইন টাওয়ারের সামনে চাঁদাবাজি করতে গেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ইমরানকে গ্রেফতার করে। তার নামে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, মাদকসহ মোট ৯টি মামলা ও একাধিক গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে।

    এছাড়াও গত ২৮ এপ্রিল নোয়াখালীর ছয়ানী ইউনিয়নের গঙ্গাবর বাজারে শাকিল হত্যাকান্ডেও তার উপস্থিতি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় মর্মে তথ্য পাওয়া যায়।

    ইমরান গত ৫ আগষ্টের পর থেকে চন্দ্রগঞ্জ বাজার ও আশেপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, অপহরণ, চুরি-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ছিল। তার কারনে চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের মোল্লাবাড়ির সামনের অনেক ব্যবসায়ী ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে চলে গেছে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তার মামা মাসুদ ও তার বাবা তাজুল ইসলাম সুমনের অত্যাচারেও এলাকাবাসী নিরুপায়।

    চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম বলেন, অনেক দিন থেকেই ইমরানকে গ্রেফতার করার অভিযান চলছিল। আজকে চন্দ্রগঞ্জ বাজারের টুইন টাওয়ার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে বিভিন্ন ধারায় ৯টি মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী।

  • লক্ষ্মীপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাবের হাতে আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাবের হাতে আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :     

    লক্ষ্মীপুরে সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান ভূঁইয়া হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. মুক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

    ঘটনার পর ১১ বছর তিনি পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়ানোর লক্ষ্যে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেন।

    বুধবার (২৮ মে) সকালে র‍্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে মঙ্গলবার (২৭ মে) রাতে ঢাকা পল্লবী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তার হওয়া মুক্তার সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামের মফিজ উল্যার ছেলে।

    র‍্যাব ও মামলা সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ২১ মে রাতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মান্নানকে জবাই করে হত্যা করা হয়। ঐ রাতেই বাড়ির পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    ঘটনার ৪ দিন পর নিহতের স্ত্রী আঞ্জুম আরা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    ২০১৫ সালের ২ জুন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করে ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

    ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শাহেনূর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেয় বিচারক। তবে রায়ের দিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কফিল উদ্দিন ছাড়া বাকিরা পলাতক ছিলেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আবদুর রহমান ও মো. জয়নাল। গ্রেপ্তার মুক্তার ছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন মো. জুলফিকার, খোরশেদ আলম, শাহ জালাল ও ইয়াসিন আরাফাত রাফি। এর মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল পলাতক শাহজালালকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

    র‍্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী মুক্তারকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র‍্যাব গোয়েন্দা কার্যক্রম চালায়।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-২ এর সহযোগিতায় পল্লবী থানাধীন সেকশন ১২ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    মুক্তার নিজেকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে স্বীকার করেছেন। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসার শিশু ছাত্র হত্যার অভিযোগে শিক্ষক আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসার শিশু ছাত্র হত্যার অভিযোগে শিক্ষক আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে পড়া মুখস্থ না করায় মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের এক শিশু ছাত্রকে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, সে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    মঙ্গলবার ( ১৩ মে )  বিকেলে শহরের আল মঈন ইসলামি একাডেমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছাত্রের নাম ছানিম হোসেন (৭)। সে রায়পুর উপজেলার চরবংশীর কুছিয়া এলাকার হুমায়ুন মাতাব্বরের ছেলে।

    পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে।

    এ ঘটনায় মাহমুদুর রহমান নামের এক শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রেজাউল হক, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

    পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান ছানিমকে ২০২৩ সালে আল মঈন ইসলামি একাডেমির হেফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়। তাকে কারণে-অকারণে প্রায়ই মাহমুদুরসহ অন্য শিক্ষকেরা নির্যাতন করতেন। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ বসির আহমেদকে জানিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি।

    বুধবার সকালে পড়া মুখস্থ করতে না পারায় ছানিমকে শিক্ষক মাহমুদুর বেদম মারধর করেন। ছানিম পরে বিষয়টি মোবাইল ফোনে তার মা জয়নবকে জানায়। এরপর বিকেলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছানিমের মাকে ফোন দিয়ে জানায়, তাঁর ছেলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসার সামনে গিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করে। তাদের অভিযোগ, আগেও এই মাদ্রাসায় একাধিক শিশুকে নির্যাতন করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিচার না হওয়ায় শিক্ষকেরা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিচারের দাবি জানান বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। পাশাপাশি মাদ্রাসাটি বন্ধের দাবি করেন তাঁরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

    এদিকে ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে মা জয়নব ও বাবা হুমায়ুন মাদ্রাসায় গিয়ে বাক্‌রুদ্ধ হয়ে পড়েন। তাঁরা জানান, ছানিমকে কোরআনে হাফেজ বানানোর জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন। অনেক কষ্ট করে প্রতি মাসের বেতন ও হোস্টেল ভাড়া পরিশোধ করছিলেন। কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষক মাহমুদুরসহ অন্য শিক্ষকেরা প্রায়ই ছানিমকে কারণে-অকারণে মারধর করতেন।

    মা-বাবার অভিযোগ, সর্বশেষ বুধবার সকালে পড়া মুখস্থ করতে না পারায় ছানিমকে বেদম মারধর করা হয়। তাকে পিটিয়ে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। ৭ বছরের এই শিশু আত্মহত্যা করতে পারে না উল্লেখ করে তাঁরা এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

    জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বসির আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থী ছানিম মাদ্রাসার টয়লেটে গিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে সকালে মাদ্রাসার শিক্ষক মাহমুদুর রহমান শিক্ষার্থী ছানিমকে পড়ালেখা করার জন্য কিছুটা শাসন করেন বলে স্বীকার করেছেন। ওই শিক্ষার্থীর শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। মাদ্রাসার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, জোহরের নামাজ পড়ার পর সে টয়লেটে প্রবেশ করে আর বের হয়নি।’

    এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির গায়ে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষক মাহমুদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার, দেশী টাকা কোটি কোটি, গ্রেপ্তার-২ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার, দেশী টাকা কোটি কোটি, গ্রেপ্তার-২ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। দেশী টাকা মিলছে এক ড্রয়ারেই এক কোটি পনের লক্ষ।

    সোমবার (১২ মে) সকালে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), সেনাবাহিনী ও চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    অভিযান সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চন্দ্রগঞ্জ বাজারের ‘শ্রী শ্রী নিতাই গৌরী বস্ত্রালয় এন্ড গার্মেন্টস’ (স্থানীয়ভাবে পরিচিত বলরাম বাবুর দোকান) এবং ‘আল মদিনা বস্ত্রালয়’-এর আড়ালে অবৈধভাবে বিদেশি মুদ্রা লেনদেন চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দুটি দোকান থেকে বিভিন্ন দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়, যা বাংলাদেশের মুদ্রামানে  ৪৮ লাখ, ৫হাজার, ৯শত ১০ টাকা।

    তার মধ্যে বলরাম দেবনাথ থেকে ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ৯১০ টাকা ও আল মদিনা বস্ত্রালয় থেকে ১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।

    এছাড়াও বলরাম দেবনাথের দোকানের একটি ড্রয়ারেই মিলেছে এক কোটি পনের লক্ষ দেশী টাকা। যদি ও দেশীয় টাকায় গুলো শেষ পর্যন্ত ফেরৎ দেয়া হয়েছে।

           ফেরৎ দেয়া এক কোটি পনের লাখ টাকা 

    অভিযানে শ্রী শ্রী নিতাই গৌরী বস্ত্রালয় এন্ড গার্মেন্টসের খোকন দেবনাথ এবং আল মদিনা বস্ত্রালয়ের ইব্রাহিম খলিলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    অভিযানের নেতৃত্বে থাকা এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবৈধ মুদ্রা লেনদেনের অভিযোগ ছিল। আজকের অভিযানে তা প্রমাণিত হয়েছে। আমরা চক্রের পেছনে থাকা মূল হোতাদেরও শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।

    ক্যাপ্টেন মোঃ রাহাত জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি, এই মুদ্রাগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কিভাবে লেনদেন হতো—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্বর্ণ বন্ধকী ও জুয়েলারী এবং বস্র ব্যবসার আড়ালে অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই। লাইসেন্স বিহীন অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীরা প্রতি দিন ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রা ক্রয় করছে। প্রতি মাসে শতকোটি টাকার বেদেশি মুদ্রা ক্রয় করে ফুলে-ফেঁপে ওঠেছে তারা।

    সচেতন মহলের প্রশ্ন, একজধ কাপড় দোকানীর কাছে নগদ কোটি কোটি টাকা থাকা কেন প্রয়োজন হয় । এই নগদ টাকা রাখার আইনী যৌক্তিকতা ও ক্ষতিয়ে দেখা সময়ের দাবী।

  • সব জল্পনা-কল্পনার অবসান বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুরে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের ঘোষণা মিঠু ও টিটুর

    সব জল্পনা-কল্পনার অবসান বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুরে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের ঘোষণা মিঠু ও টিটুর

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভক্তির অবসান ঘটিয়ে একত্রে পথচলার ঘোষণা দিয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর জুমলা মিঠু, ও জেলা জিয়া সৈনিক দলের আহ্বায়ক হানিফ টিটু। এই ঐতিহাসিক ঐক্য এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

    জনসাধারণের মতে, এই সমঝোতা সমাজে শান্তি, সহযোগিতা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। দুই নেতার এক হওয়ার ঘোষণায় এলাকায় ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে।

    মীর জুমলা মিঠু, বলেন, আমরা অতীতে মতবিরোধের কারণে একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। তবে এখন উপলব্ধি করছি, বিভক্তি নয়—একতা ও শান্তির মাধ্যমেই সমাজ এগিয়ে যেতে পারে।

    হানিফ টিটু বলেন, আমরা চাই আলাইয়ারপুর শান্তির এক দৃষ্টান্ত হোক। মিঠু ভাইয়ের সঙ্গে এই ঐক্য কেবল আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়—এটি এলাকার মানুষের জন্য, বিএনপির জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা। ঐক্যের শক্তিই পারে মুক্তির পথ দেখাতে।

    দুজনই জানান, ভবিষ্যতে তারা একযোগে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবেন। একইসঙ্গে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ঐক্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।