Author: somoyernurnews

  • চন্দ্রগঞ্জ বাজারে জমজমাট ঈদের কেনাবেচা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    চন্দ্রগঞ্জ বাজারে জমজমাট ঈদের কেনাবেচা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    রাজধানী ঢাকাসহ জেলা – উপজেলা ও গ্রামীণ হাটবাজার গুলোতে চলছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আমেজ।

    ঈদুল ফিতরেকে সামনে রেখে ক্রেতা – বিক্রেতারা পার করছে ব্যস্ত সময়। ১২ তম রমজানেই গ্রামীণ হাটবাজার গুলোতে চলছে ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম। যানজট এড়াতে আগেবাগেই ক্রেতারা সেরে নিচ্ছেন ঈদ বাজার।

    গ্রামীণ হাটবাজার গুলোতে নারী, শিশু ও তরুণীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
    দোকানীদের বিকিকিনিও বেশ ভালো।

    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানিজ্যিক কেন্দ্র চন্দ্রগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায় ব্যস্ত সময় পার করছে ব্যাবসায়ীরা, দম পেলার সময় নেই তাদের।

    চন্দ্রগঞ্জ নিউমার্কেটে গার্মেন্টস আইটেম বিক্রি করা দোকান গুলোতে দেখা যায় ক্রেতাদের ব্যাপক আনাগোনা।

    স্মার্ট ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন নোমানের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের এবারের ঈদের বিক্রির শুরুটা বেশ ভালো,

    ক্রেতার উপস্থিতিও ভালো। সুলভ মূল্যে দেশি- বিদেশি জামা কাপড় পাওয়া যায় স্মার্ট ফ্যাশন হাউসে। তবে এখানে পুরুষদের পোশাক, ই বিক্রি করা হয় বেশি।

    তাইয়্যেবা ফ্যাশন হাউসের স্বত্বাধিকারী মো: ইসমাইল হোসেন ( সৌরভ) বলেন, গত ঈদের তুলনায় এবার আগেই জমে উঠেছে ঈদ বাজার। গত ঈদের তুলনায় এ ঈদে দোকানে এসেছে দেশি-বিদেশি নতুন পোশাক, দামও রয়েছে ক্রেতাদের নাগালে। এখানে নারীদের পোশাকই বেশি পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন দোকান মালিক। সরাসরি ও অনলাইনেও রয়েছে পন্য ক্রয়ের সুবিধা। খুচরা ও পাইকারী ক্রয়ের সুবিধাও রয়েছে।

    উপস্থিত ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সুলভ মূল্য, পরিবহন সুবিধা, নিরাপত্তা সুবিধা, সব মিলিয়ে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে সদাই করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন আশেপাশের কয়েক উপজেলার মানুষ।

    একটা বিষয় লক্ষ্যনীয় চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় অধিকাংশ পুরুষ প্রবাসী হওয়ায় এ বাজারের ৬০ ভাগ ক্রেতাই হচ্ছেন নারী।

    তবে ঈদের বাকি রয়েছে এখনো প্রায় ১৮ দিন, মধ্যেপ্রাচ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশও পড়তে পারে বলে সংকাবোধ করছে জনসাধারণ।
    যুদ্ধের কারনে প্রবাসীরা ঠিক মতো বেতন ভাতা যদি না পায় তাহলে দেশে টাকা পাঠানোও অনিশ্চয়তায় পড়বে বলে মনে করেন প্রবাসী পরিবার গুলো। এতে করে ঈদ বাজারেও ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • চন্দ্রগঞ্জে বাজার ইজারার খাজনা আদায় নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    চন্দ্রগঞ্জে বাজার ইজারার খাজনা আদায় নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ইজারার খাজনার টাকা আদায়কে ‘চাঁদাবাজি’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার বিকেলে চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনায়েত উল্যাহ, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির, বাজারের ইজারাদার আলী করিম, জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন, গোলাম কিবরিয়া এবং শ্রমিকদল নেতা মনির হোসাইন রাজনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন বাচ্চু বলেন, চন্দ্রগঞ্জ বাজারে নিয়মিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৈধভাবে ইজারা প্রদান করা হয়েছে এবং সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুসারেই খাজনা আদায় করা হচ্ছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে খাজনা আদায়কে ‘চাঁদাবাজি’ হিসেবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    তিনি আরও বলেন, বাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও সরকারি রাজস্ব নিশ্চিত করার স্বার্থেই ইজারাদার খাজনা আদায় করছেন। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।

    তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা দুঃখজনক।

    বক্তারা এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান এবং বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • এ্যানি চৌধুরী মন্ত্রী হওয়ায় লক্ষ্মীপুরে নেতাকর্মীদের উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    এ্যানি চৌধুরী মন্ত্রী হওয়ায় লক্ষ্মীপুরে নেতাকর্মীদের উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্ত্রী হওয়ার খবরে দলের নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করেছেন।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আলাদাভাবে নেতাকর্মীদেরকে শহরে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে। এসময় তারা আনন্দ প্রকাশ করেন।

    এ্যানি চৌধুরী এ নিয়ে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ৩ বারের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথমবারের মতো তিনি মন্ত্রী হলেন  এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পূর্নাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন।

    বিকেলে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহবাজ মাহমুদ চৌধুরী জিদান নেতাকর্মীদের নিয়ে শহরের হাসপাতাল সড়কে জনসাধারণের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। রাতে যুবদলের নেতাকর্মীদেরকে শহরের উপকণ্ঠে মিষ্টি বিতরণ করেন।

    দলীয় সূত্র জানায়, এ্যানি চৌধুরি লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে ২০০১ সালে প্রথম ও ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বার বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    জানা যায়, ১৯৮০ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান লক্ষ্মীপুরে মূসার খাল খনন কর্মসূচিতে আসেন। তখন স্কুলজীবন থেকেই এ্যানি চৌধুরী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সদস্য হন। পরে সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের সদস্য, ১৯৮৭ সালে ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, ১৯৮৮ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে তিনি জিয়াউর রহমান হল ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচিত হন।

    ১৯৯০ সালে তিনি সর্বোচ্চ ভোটে ডাকসুর সদস্য নির্বাচিত হন এবং ৩ বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ডাকসুর ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ডাকসুর ভারপ্রাপ্ত ভিপি ও ভারপ্রাপ্ত সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ১৯৯৩-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালন করেন। ১৯৯৬-১৯৯৮ সালে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

    জানা গেছে, অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হয়ে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হয়ে তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে তিনি বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে তাকে বিএনপির প্রচার সম্পাদক করা হয়। তিনি বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির সমন্বয়ক, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব এবং লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

    ২০০১-২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে তিনি এই দলের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সভায় প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এ্যানি চৌধুরী।

  • দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান,কে কে হলেন মন্ত্রী-প্রতি মন্ত্রী | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান,কে কে হলেন মন্ত্রী-প্রতি মন্ত্রী | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

    এর আগে সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা। বিএনপি সরকারের পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৫ জন
    এদিন বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২৪ জন শপথ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর যথাক্রমে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

    মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা— ১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ, ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ, ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু, ৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ৯. মিজানুর রহমান মিনু, ১০. নিতাই রায় চৌধুরী, ১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির, ১২. আরিফুল হক চৌধুরী, ১৩. জহির উদ্দিন স্বপন, ১৪. আফরোজা খানম রিতা, ১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ১৬. আসাদুল হাবিব বুলু, ১৭. মো. আসাদুজ্জামান, ১৮. জাকারিয়া তাহের, ১৯. দীপেন দেওয়ান, ২০. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ২৩. শেখ রবিউল আলম, ২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট) এবং ২৫. ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)।

    প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা—১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ৩. মো. শরিফুল আলম, ৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম, ৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ৬. কায়সার কামাল, ৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ, ৮. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), ৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ১০. হাবিবুর রশীদ, ১১. মো. রাজিব আহসান, ১২. মো. আব্দুল বারী, ১৩. মীর শাহে আলাম, ১৪. জোনায়েদ সাকি, ১৫. ইশরাক হোসেন, ১৬. ফারজানা শারমিন, ১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম, ১৮. নুরুল হক, ১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী, ২০. এম ইকবাল হোসেইন, ২১. এম এ মুহিত, ২২. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ২৩. ববি হাজ্জাজ, ২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

    ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে ছিল। ২০ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলো দলটি। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ৫০ জনের মধ্যে মন্ত্রী ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। টেকনোক্র‍্যাট রয়েছেন তিনজন। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে নতুন মুখ ১৭ জন আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সবাই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারই প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন।

    এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুপুরের আগে থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও নানান শ্রেণিপেশার মানুষ জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউতে জড়ো হন। একপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের স্লোগানে স্লোগানে পুরো সংসদ এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

  • ফের লক্ষ্মীপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির ৪৫০ প্যাকেট বিরিয়ানি জব্দ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    ফের লক্ষ্মীপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির ৪৫০ প্যাকেট বিরিয়ানি জব্দ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণায় খাবার বিতরণের প্রস্তুতির অভিযোগে বিএনপির ৪৫০ প্যাকেট বিরিয়ানি জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে সেগুলো একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

    ঘটনাটি জানতে পেয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাশের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে একটি মসজিদের সামনে বিপুল পরিমাণ খাবার প্রস্তুত অবস্থায় পান। তবে ঘটনাস্থলে কাউকে হাতেনাতে ধরা যায়নি। পরে ৪৫০ প্যাকেট খাবার জব্দ করে তা একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ছাড় বা স্বজনপ্রীতিমূলক আচরণ করা হচ্ছে না।

  • বেগমগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    বেগমগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    বেগমগঞ্জ প্রতিনিধি :

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মালিকানাধীন জমি জবরদখলের চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অহিদুল ইসলাম বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের মিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা অহিদুল ইসলাম ওয়ারিশ সূত্রে লাকুড়িয়াকান্দি মৌজার আমিন বাজার এলাকায় একটি জমির মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ভুক্তভোগীর দাবি, জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্ত শাহ আলম তা এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে নোয়াখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

    সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আমিন দিয়ে জমি পরিমাপের সময় শাহ আলম বাধা সৃষ্টি করেন, এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন মিয়াপুর গ্রামের আলাম মেম্বারের বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে শাহ আলম, মনছুর আহম্মদের ছেলে আলমগীর, একই গ্রামের কাউছার, পূর্ব ভূঁইয়া বাড়ির মোস্তফার ছেলে জহির এবং সুজায়েতপুর খামারবাড়ির জহিরসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন বিরোধীয় জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করে।

    এতে বাধা দিলে অহিদুল ইসলামকে হুমকি দেওয়া হয় এবং তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করা হয়। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ঘটনায় যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে।
    এ বিষয়ে অভিযোগকারী অহিদুল ইসলাম বলেন, আমি আইন মেনে চলা একজন মানুষ। আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও তারা জোরপূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে এবং শাহ আলম আমাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কামনা করছি।

    এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার এসআই আরিফুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। উভয় পক্ষকে বিরোধীয় জমিতে না যাওয়ার এবং কোনো ধরনের কাজ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করে আইনগতভাবে বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দেন তিনি।

  • লক্ষ্মীপুরে ৩ শতাধিক মানুষের খাবারের আয়োজন, বিএনপি নেতার জরিমানা

    লক্ষ্মীপুরে ৩ শতাধিক মানুষের খাবারের আয়োজন, বিএনপি নেতার জরিমানা

    লক্ষ্মীপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তিন শতাধিক মানুষের খাবারের আয়োজন করায় এক বিএনপি নেতাকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলা হাজিরপাড়া ইউনিয়নের কাজী কালেয়েতপুর গ্রামে এ আয়োজন করা হয়।

    খবর পেয়ে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাশ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ঘটনার সত্যতা প্রমাণ হওয়ায় বিএনপি নেতা শহীদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হাজিরপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির গণসংযোগ রয়েছে। সে উপলক্ষে কাজী কালেয়েতপুর এলাকায় তিন শতাধিক লোকের খাবারের আয়োজন চলছিল। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী, ভোটের আগে প্রার্থীর পক্ষে বড় ধরনের খাওয়া-দাওয়া বা গণভোজের আয়োজন করা নিষেধ রয়েছে। এটি নির্বাচন আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয়।

    ‎সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাশ বলেন, তিন শতাধিক লোকের জন্য ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে গণভোজের আয়োজন করেন শহিদ নামে এক বিএনপি নেতা। এটি আচরণবিধি লঙ্ঘন। এতে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

     

  • চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুইজন আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুইজন আটক | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ও নোয়াখালী জেলার সীমান্তবর্তী আলাইয়ারপুর ইউনিয়নে যৌথ বাহিনী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।

    আটকরা হলেন- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দেওপাড়া গ্রামের কাজল ইসলাম সুমনের ছেলে মো. ইমরান এবং আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের ভবভদ্রী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. সজিব।

    অভিযানে ইমরান ও সজিবের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ৪টি খালি পিস্তল, ১১ রাউন্ড গুলি, ২টি ম্যাগাজিন, ৪টি খালি কার্তুজ, ৪টি এলজি, ২৬ রাউন্ড শটগানের গুলি, ৫৩টি আতশবাজি, ২টি ককটেল, ১টি দেশীয় অস্ত্র ও একটি বিপি উদ্ধার করা হয়।

    যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক ইমরান হত্যা ও অস্ত্র মামলাসহ একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।

    অভিযান শেষে আটক দুইজনকে উদ্ধারকৃত মালামালসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • রমজানে ব্যায়াম | কেন,কখন এবং কীভাবে? | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    রমজানে ব্যায়াম | কেন,কখন এবং কীভাবে? | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    লাইফস্টাইল ডেস্ক :

    রমজানে ব্যায়াম করা নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে। সারাদিন রোজা রাখার পর দেহের ক্লান্তি, পানি ও খাবারের অভাবের কথা চিন্তা করে অনেকেই এই সময়ে ব্যায়াম করা বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা এবং উপযুক্ত সময় বেছে নিলে রোজার মধ্যেও সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব। আজ আমরা জানবো, কীভাবে রমজান মাসেও ব্যায়াম করা যায় এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ।

    সাবা একজন কর্মজীবী নারী। প্রতিদিন সকালে যোগব্যায়াম করা তার অভ্যাস। তবে রমজান শুরু হতেই সে সিদ্ধান্ত নেয় ব্যায়াম বন্ধ রাখবে। তার মনে হয়, সারাদিন রোজা রেখে শরীরচর্চা করলে ক্লান্তি বেড়ে যাবে, দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু প্রথম এক সপ্তাহের মধ্যেই সে বুঝতে পারে, শরীর দুর্বল লাগছে, মনও চঞ্চল হয়ে উঠেছে। সারাদিন অফিসের চেয়ারে বসে থাকার কারণে পেশিতে ব্যথা অনুভব করছে। এভাবে চলতে থাকলে রমজানের শেষে সে আরও অলস হয়ে পড়বে। তখনই সে ভাবতে শুরু করে, রমজান মাসে কোন সময়টি ব্যায়াম করার জন্য উপযুক্ত?

     

    রমজানে ব্যায়াম করা দরকার কেন ?

    সাবা তার ফিটনেস মেন্টরের সঙ্গে পরামর্শ করলে তিনি জানান, রোজার সময় ব্যায়াম বন্ধ রাখা উচিত নয়, বরং শরীরের জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ।চলুন জেনে নিই, রমজানে ব্যায়াম কী ধরনের উপকার করে।

    ১) শরীরের শক্তি ধরে রাখা – দীর্ঘ সময় উপবাসের কারণে পেশির ক্ষয় হতে পারে। হালকা ব্যায়াম করলে পেশি সংরক্ষিত থাকে।

    ২) শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি – ব্যায়াম করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, ফলে ক্লান্তি কম অনুভূত হয়।

    ৩) ওজন নিয়ন্ত্রণ – রোজার সময় অনেকেরই বেশি খাওয়ার ফলে ওজন বেড়ে যায়। ব্যায়াম করলে অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন হয় এবং শরীর সজীব থাকে।

    ৪) মানসিক প্রশান্তি – ব্যায়াম মানসিক চাপ কমায় এবং ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

     

    রোজায় কখন ব্যায়াম করা সবচেয়ে ভালো?

    রোজার সময় ব্যায়ামের জন্য কিছু নির্দিষ্ট সময় সবচেয়ে উপযুক্ত।

    ১)ইফতারের ৩০-৪৫ মিনিট আগে
    এ সময় শরীরে ফ্যাট বার্নিং প্রক্রিয়া সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে। তবে হালকা ব্যায়াম করা উচিত, যেমন হাঁটা, যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং।

    ২) ইফতারের ১-২ ঘণ্টা পর
    এটি সবচেয়ে ভালো সময়, কারণ শরীরে এনার্জি ফিরে আসে এবং ব্যায়ামের জন্য যথেষ্ট শক্তি পাওয়া যায়। এ সময় কার্ডিও বা ওয়েট ট্রেনিং করা যেতে পারে।

    ৩) সেহ্‌রির আগে (ভোর রাত)
    যারা খুব সকালের দিকে ব্যায়াম করতে অভ্যস্ত, তারা সেহ্‌রির আগে হালকা স্ট্রেচিং বা যোগব্যায়াম করতে পারেন। তবে ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।

    রমজানে ব্যায়াম কী ধরনের হওয়া উচিত ?
    রোজার সময় ভারী ব্যায়াম না করে হালকা ও পরিমিত ব্যায়াম করা সবচেয়ে ভালো। যেমনঃ

    স্ট্রেচিং ও যোগব্যায়াম – পেশির নমনীয়তা বাড়ায় এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে।

    বডি ওয়েট এক্সারসাইজ – পুশ-আপ, স্কোয়াট, লাংজ ইত্যাদি হালকা মাত্রায় করা যেতে পারে।

    রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং – অল্প ওজন ব্যবহার করে ব্যায়াম করা যেতে পারে, তবে ভারী ওজন এড়িয়ে চলা উচিৎ।

    অবশেষে বলবো, রোজায় ব্যায়াম বন্ধ না রেখে বরং সময় ও ধরন ঠিকমতো বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। হালকা ব্যায়াম করলে শরীর ও মন দুই-ই সুস্থ থাকবে। তাই সাবার মতো আপনি রোজায় ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

     

  • বাংলাদেশে আইন হবে সবার জন্য সমান : জামায়াত আমির | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    বাংলাদেশে আইন হবে সবার জন্য সমান : জামায়াত আমির | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন,‘আমরা সেই বাংলাদেশ চাই যেখানে আইন হবে সবার জন্য। যে যার যার অবস্থা হিসেবে মূল্যায়ন পাবে। সবাইকে সমান দেওয়ার নাম ন্যায় বিচার নয়। যার যেটা ন্যায্য পাওনা তাকে সেটাই দিতে হবে- এর নাম ন্যায়বিচার। পাশাপাশি একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে তার যে নির্দিষ্ট শাস্তি হবে দেশের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধ করলে তাদেরও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না।’

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমরা জাতিকে নিয়ে পেছনে যেতে চাই না, সামনে যেতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যে দেশে একটি শিশু উপযুক্ত শিক্ষা পাবে। উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে সুস্থ হয়ে বড় হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাবে। নিরাপদ রাস্তা পাবে, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে। এরপর যখন বড় হবে হাতে কাজ পাবে। যখন আরও বড় হবে দেশটাকে গড়ে তুলতে পারবে।’

    জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা নির্বাচন করেছেন, সুন্দর সুন্দর কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে, ওয়াদা তারা বাস্তবায়ন করেননি। যার কারণে সমাজে বৈষম্য দেখা দিয়েছিল, অপরাধ চরম যাত্রা ধারণ করেছিল, দুর্নীতি গোটা সমাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে আমাদের যুব সমাজ ফুঁসে উঠেছিল। একটা মাত্র শ্লোগান ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা ন্যায় বিচার চাই।’

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার বাঁচার জন্য অধিকার চাই। শিশুর জন্য শিক্ষা চাই। যুবক-যুবতীর জন্য কাজ চাই। মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা চাই। ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ভেজাল শান্তিতে ব্যবসা করার পরিবেশ চাই। কৃষকের জন্য জমিতে উন্নতমানের ফসল ফলানোর জন্য সরঞ্জাম চাই। শ্রমিকের জন্য ন্যায্য বিনিময় চাই। কর্ম পরিবেশ চাই।’

    তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে সবচেয়ে মজলুম। আর কোনো সংগঠনের শীর্ষ ১১ জনকে শেখ হাসিনা গুম করে নাই। আর কোনো সংগঠনের নিবন্ধন কেড়ে নেয় নাই। আর কোনো সংগঠনের প্রতীক কেড়ে নেয় নাই। আর কোনো সংগঠনের অফিসগুলো তালাবদ্ধ করে রাখে নাই। আর কোনো সংগঠনের নেতাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় নাই। আর কোনো সংগঠনকে শেষ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় নাই। এটা একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।’

    জামায়াত আমির বলেন, ‘শুধু বিরোধীদলীয় নেতারাই এতোদিন মজলুম ছিলেন না। এদেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল। ৫ তারিখের পর যখন জামায়াতে ইসলামী মুক্ত হলো তখন তারা কোনো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নাই। নির্বাচন দেওয়ার দাবি করে নাই। হাজার হাজার মামলা বাণিজ্য করে মানুষকে হয়রানি করার সিদ্ধান্ত নেয় নাই। বরং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে সেজদায় পড়েছে। আমরা সে রাতেই ঘোষণা করেছিলাম, আমরা কারো বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নেবো না। আমাদের নেতা কর্মীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু হারাম পথে উপার্জনের জন্য চাঁন্দাবাজি করবো না।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা সিজনাল পলিটিশিয়ান না। আমরা বসন্তের কোকিল না। যখন নির্বাচন আসবে, নতুন রঙ ধারণ করে সুন্দর সুন্দর কথা নিয়ে আমরা হাজির হবো। না, আমরা তাই না। আপনারা সাক্ষী, সাড়ে ১৫ বছর আমাদের ওপর এতো জুলুম হওয়ার পরও আমরা একদিনের জন্যও জনগণকে ছেড়ে যাইনি। এ মাটি কামড় দিয়েই আমরা ছিলাম। আল্লাহ আমাদের এখানে রেখেছিলেন। দফায় দফায় জেলে গিয়েছি, ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছি, অফিসে ঢুকতে পারি নাই। কিন্তু বাংলাদেশে ছিলাম। ভবিষ্যতে দুর্দিন, সুদিন আসবে-আল্লাহ জানেন, কথা দিচ্ছি আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাবো নাই ইনশা আল্লাহ।’

    জনসভায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরাঞ্চলের অন্যতম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় গণপরিষদের অন্যতম সদস্য তামিরুল মিল্লাতের অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফি, টাঙ্গাইল-২ আসনের প্রার্থী হুমায়ুন কবির, টাঙ্গাইল-৩ আসনের এনসিপির প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৪ আসনের খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান জোহরা খাতুন জুই, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল ওলামা টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমির মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-৬ আসনের ডা. একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ আসনের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খানসহ জামায়াত ও ঐক্যজোটের অন্য শরীকদলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।