Author: somoyernurnews

  • লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসির বিদায় ও যোগদান অনুষ্ঠান | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসির বিদায় ও যোগদান অনুষ্ঠান | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়ার বদলি জনিত বিদায় ও নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রুহুল আমিন এর যোগদান উপলক্ষ্যে বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    আজম ঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে থানা কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে বরণ ও বিদায় জানানো হয়।

    বিদায় ওসি মো. মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নাজিরহাট হাইওয়ে থানায় যোগদান করবেন এবং নবাগত ওসি রুহুল আমিন শিল্প পুলিশ থেকে বদলি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেছেন।

    বিদায়ী ওসি মো : মফিজ উদ্দিন ভূইয়া বলেন, বিগত প্রায় বিশ মাস এই থানা এলাকায় দায়িত্ব পালন করা কালীন সময়ে আপনাদের সহযোগিতা পেয়েছি, আমিও চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সহযোগিতা করার জন্য সব মিলিয়ে ভালো সময় কেটেছে আপনাদের সাথে। আমি যেখানেই থাকি প্রয়োজনে আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ রাখবেন।

    নবাগত( ওসি) মো: রুহুল আমিন বলেন,, ১৯৯৬ সালে আমি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করি, হাইওয়ে থানায় এই প্রথম দায়িত্ব পালন করছি, তাই আমি বিদায়ী স্যার ও স্হানীয় পর্যায়ে সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করি। তিনি আরও বলেন আমার সর্বোচ্চ চেষ্ঠা থাকবে আপনাদের প্রশাসনিক সেবা দেওয়ার জন্য। সবার সহযোগিতা নিয়েই নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলবো।

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাব ও নিরাপদ সড়ক চাই চন্দ্রগঞ্জ থানা কমিটি সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জনাব আলী হোসনে।

    জনাব বাবুল হোসেন, সভাপতি কমিউনিটি পুলিশিং চন্দ্রগন্জ থানা কমিটির সভাপতি রায়হান চিশতি।
    চন্দ্রগন্জ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব সালাউদ্দিন জুয়েল, শ্রমিক নেতা দুলাল হোসেন ও থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারগন।

  • রামগতিতে ৭ম শ্রেনীর স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার-২ | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    রামগতিতে ৭ম শ্রেনীর স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার-২ | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় ৭ম শ্রেনীর স্কুল ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে স্কুলছাত্রীর বাবার করা মামলায় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

    এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন শিপন (১৯) ও ধর্ষণে সহায়তাকারী শুভ (২০)।

    গ্রেফতার হওয়া যুবক শিপন উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চরনেয়ামত গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে ও শুভ একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। ভূক্তভোগী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

    পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, মোবাইলফোনের মাধ্যমে ছাত্রীর সঙ্গে অভিযুক্ত শিপনের পরিচয় হয়। শনিবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে শিপন তাকে মেঘনা নদীর পাড়ে ঘুরতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরপোড়াগাছা গ্রামের প্রফেসর আজাদের পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায় শিপন। বিয়ের আশ্বাসে সেখানে রাত পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন। রাত প্রায় সাড়ে ১১ টার দিকে সেখান থেকে পাশ্ববর্তী একটি সয়াবিন ক্ষেতে নিয়ে শিপন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। তখন শুভ পাহারায় ছিলেন।

    এদিকে ঘটনাটি টের পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে শিপন ও তার সহকারী শুভ পালিয়ে যায়।

    একপর্যায়ে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে রামগতি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। পরদিন ছাত্রীর বাবা বাদী হয় শিপন ও শুভর নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওইদিন রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।

    রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে লক্ষ্মীপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

  • রায়পুরে চাঁদা দাবির অভিযোগে মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    রায়পুরে চাঁদা দাবির অভিযোগে মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাটসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

    রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রায়পু আদালতে এ মামলা করেন।
    বিচারক বেলায়েত হোসেন মামলার আবেদনটি আমলে নিয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

    মঞ্জুরুল আলম রায়পুর পৌরসভার দক্ষিণ দেনায়েতপুর এলাকার বাসিন্দা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সহকারী কমান্ডার।

    বাদীর আইনজীবী জাকির হোসেন বলেন, মামলার বিষয়টি রায়পুর থানার ওসিকে তদন্ত করে আগামী ৯ জুন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন রায়পুর পৌরসভার কার্য-সহকারী মহিন উদ্দিন বিপু, কর্মচারী আলম মিয়া, আবু তাহের সাগর, সবুজ ও মাহমুদুন্নবী।

    এজাহার সূত্র জানায়, রায়পুর থানা মসজিদের পাশে মঞ্জুরুল আলম ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ আহম্মদের জমি রয়েছে। সেখানে পুরাতন ভবন ভেঙে যৌথভাবে তাদের একটি ৯ তলা ভবন নির্মাণাধীন। বর্তমানে ৬ তলার ছাদ নির্মাণ কাজ চলমান। ভবন নির্মাণের প্রথম থেকে মেয়র রুবেল ভাটসহ অভিযুক্তরা বাদীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি দাবি করা চাঁদার এক টাকাও দেননি। এতে মেয়রসহ অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

    গত ৪ মার্চ কোন নোটিশ ও তথ্য ছাড়াই পৌরসভার লোকজন এসে ভবনের সামনে ভাঙচুর করে।

    খবর পেয়ে বাদী এসে সিঁড়ি ভাঙার কারণ জানতে চান। তখন অভিযুক্তরা ফের ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দেওয়া হবে না বলে জানালে অভিযুক্তরা বাদীর সঙ্গে মারমুখী আচরণ করে হুমকি দেয়।

    মঞ্জুরুল আলম গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ৪ মার্চ রাতেই আমি রায়পুর থেকে ওমরাহ করার উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাই। অথচ ৫ মার্চে একটি মারামারির ঘটনা সাজিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে পৌর কর্মচারী বিপুকে দিয়ে মেয়র মামলা করিয়েছেন। চাঁদা না দেওয়ার কারণে তারা আমাকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন।

    রায়পুর পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট বলেন, নিয়ম না মেনে সেখানে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। তারা পথচারীদের হাটার রাস্তা ও পার্কিয়ের ব্যবস্থা রাখেননি। চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। মঞ্জুরুল আলম তা প্রমাণও করতে পারবেন না। মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে অন্যায় করার সুযোগ নেই।

    রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন ফারুক মজুমদার বলেন, মামলার ঘটনাটি জানা নেই। আদালতের নির্দেশনাও এখনো আসেনি। নির্দেশনাপত্র আসলে তদন্ত করে যথাসময়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের স্ত্রী গ্রেপ্তার | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের স্ত্রী গ্রেপ্তার | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

    সময়ের নুর নিউজ ডেস্ক :

    বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর খানের স্ত্রী শেহেলা পারভীনকে সনদ বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (২০ এপ্রিল) তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    পরে তাকে সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিবি সূত্র জানায়, কারিগরি বোর্ডের সনদ বাণিজ্য মামলার প্রধান আসামি এ টি এম শামসুজ্জামান এবং সহযোগী আসামি সানজিদা আক্তার ওরফে কলি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

    তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে শেহেলা পারভীনকে শনিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবিতে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে শেহেলার বিরুদ্ধে এ টি এম শামসুজ্জামানের সঙ্গে টাকা-পয়সা লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ জানান, অন্য আসামিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে শেহেলা পারভীনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবিতে আনা হয়েছে।

    এর আগে একই মামলায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুজ্জামান, সাবেক কর্মচারী ও বর্তমানে শামসুজ্জামানের সনদ তৈরির নিজস্ব কারখানায় নিয়োজিত কম্পিউটারম্যান ফয়সাল হোসেন, হিলফুল ফুজুল নামের কারিগরি প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল সরদার গোলাম মোস্তফা, যাত্রাবাড়ীর ঢাকা পলিটেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক মাকসুদুর রহমান ও  গড়াই সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিচালক সানজিদা আক্তার ওরফে কলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন রিমান্ডে আছেন।

    সম্প্রতি রাজধানীর পীরেরবাগে অভিযান চালিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সার্টিফিকেট তৈরির কারখানার সন্ধান পায় ডিবি।

    এ সার্টিফিকেট কিন্তু জাল নয় বরং সরকার যে কাগজ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সনদ দেয়, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুজ্জামান একই কাগজ ব্যবহার করে সার্টিফিকেট বানাতেন।

    অর্থাৎ তিনি শিক্ষা বোর্ড থেকে কাগজ এনে বাসায় বসে সার্টিফিকেট বানাতেন। রেজাল্ট অনুযায়ী তিনি টাকা নিতেন। তবে ৩৫ হাজারের কমে কাজ করতেন না।সার্টিফিকেট বানানোর পর সেই রেজাল্টের তথ্য শিক্ষা বোর্ডের সার্ভারে আপলোড করে দিতেন।

    এ সার্টিফিকেট দিয়ে অনেকে বিদেশে গেছেন, অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন, আবার অনেকে চাকরি করছেন। এভাবে তিনি সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি সার্টিফিকেট দিয়েছেন।

    সবাইকে ম্যানেজ করে অর্থাৎ শিক্ষা বোর্ডের সবার সঙ্গে যোগসাজশ করে কাগজ বের করা হতো বলে গ্রেপ্তারের পর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট শামসুজ্জামান জিজ্ঞাসাবাদে ডিবিকে এ তথ্য দিয়েছেন ।

    এমনকি তার এ সার্টিফিকেট তৈরির কারখানার বিষয়ে অনেক সাংবাদিক জানতেন। সবাই তার কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন।

  • হামলায় নিহত ছাত্রলীগ নেতা সজীবের দাফন সম্পন্ন | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    হামলায় নিহত ছাত্রলীগ নেতা সজীবের দাফন সম্পন্ন | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা এম সজীবের নামাজের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

    পরে পাঁচপাড়া গ্রামে দ্বিতীয় নামাজের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সজীবের মরদেহ দাফন করা হয়। জানাযায় দলীয় নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সজীবের ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মরদেহ লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের বাড়িতে আসে। সজীব চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। তিনি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে।

    জানাযায় উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক পিংকু, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপপরিবেশক সম্পাদক সামছুল ইসলাম পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মতলব, সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ মান্না, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবীর পাটওয়ারী, চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী, সহ-সভাপতি ছাবির আহমেদ, সধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রকি, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তালেব ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ।

    লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক পিংকু বলেন, আমরা সজীব হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। প্রশাসনের কাছে জোর দাবি থাকবে, হত্যাকারীরা যতই প্রভাবশালী ও ক্ষমতাশীল হোক, তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ হত্যার বিচার না হলে, ভবিষ্যতে অনেক সজীবকে আমাদের এভাবে হারাতে হবে। আমি সজীবের মায়ের কান্না, শ্বশুরের কান্না ও স্ত্রীর কান্না দেখেছি। তার একটি শিশু সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী অঝোরধারায় কাঁদছে আর আকুতি জানিয়ে বলেছে, ‘সে কার কাছে যাবে, তার বাচ্চার কি হবে’। তাদের কান্না দেখে শান্তনা দেওয়া ভাষা খুঁজে পাইনি। তাদের কান্নায় যেন সবকিছু থমকে গিয়েছিল’।

    প্রসঙ্গত, ১২ এপ্রিল (শুক্রবার) রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পাঁচপাড়া গ্রামের যৈদের পুকুরপাড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী সজীব, সাইফুল পাটোয়ারী, মো. রাফি ও সাইফুল ইসলাম জয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে সজীবকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এসময় তাকে বাঁচাতে গেলে অন্যদের ওপরও গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। পরে আহত অবস্থায় ওই চারজনকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সজীব, সাইফুল ও রাফিকে ঢাকায় প্রেরণ করে। সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে সজিবের মা বুলি বেগম বাদি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু ও সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম তাজু ভূঁইয়াসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছে। এতে ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২ টার দিকে ঢাকার পপুলার হাসপাতালের নিবীড় পর্যবেক্ষণ কক্ষে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজীব মারা যান।

  • রায়পুরে স্মার্ট গ্রামে কিশোর গ্যাং ও মাদক সেবিদের আতঙ্কে অভিভাবকরা | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    রায়পুরে স্মার্ট গ্রামে কিশোর গ্যাং ও মাদক সেবিদের আতঙ্কে অভিভাবকরা | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    রায়পুর প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরপাতাসহ (স্মার্ট গ্রাম) বিভিন্ন এলাকায় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা বিপজ্জনক কিশোর গ্যাং ও মাদক সেবনের-এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    দিন দিন এদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনসহ সচেতন  মহল। উপজেলায় রয়েছে কিশোর গ্যাং এর একাধিক গ্রুপ। এসব গ্রুপ বিভিন্ন নামে পরিচিত। পশ্চিমা কালচারের অনুকরণে এসব গ্রুপ গড়ে উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা আইনশৃংখলা সভায় স্থানীয় এমপি নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের উপস্থিতিতে জনপ্রতিনিধি সুলতান মামুন রশীদ ও এক শিক্ষক শংকর মজুমদার চরপাতা গ্রামে ইভটিজিং, মাদক সেবন-বিক্রি ও বখাটেপনার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়ার আহবান জানান।

    এছাড়াও বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে এই কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই গ্রামের ১৩০ জন সচেতন তরুন ও যুবসমাজ।

    সম্প্রতি চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদের নামে ও বিভিন্ন ব্যাক্তির আইডি থেকে (ফেইসবুক- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) কয়েকজন তরুনের ছবি ও তাদের কার্যক্রম দিয়ে সবাইকে সতর্ক করছেন।

    ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ বিকেলে দেশের দ্বিতীয় ‘স্মার্ট ভিলেজ’ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চরপাতার গ্রামেকে উদ্বাধন করেন লক্ষ্মীপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোসেন আকন্দ। পরের দিন থেকে কয়েকটি স্থানে শুরু হয় কিশোর গ্যাংদের উৎপাত। সেই সাথে ইয়াবা সেবন, বিক্রি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে ছাত্রীদের সাথে ইভটিজিং। অপহরনের মত অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলো এলকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ এবং উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।।

    চরপাতার গ্রামের ওইসব মাদকাসক্ত ও ইভটিজাররা হলো: চরপাতা গ্রামের রুস্তম আলী ডাক্তার বাড়ির ফিরোজের ছেলে মোঃ মাসুম। বর্তমান সে ইয়াবা চক্রের মূল হোতা, ডিলার, সরবরাহকারী এবং মাদক সেবী। থানার তালিকাভুক্ত ফেরারি আসামী। তার অধীনে তৈরী হয়েছে কিশোর গ্যাং, অপহরন চক্র। তারই শীস্য অপহরনকারী রিপাত হাসান তারই সৃষ্টি। ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের মোস্তান বাড়ীর আব্বাস মোস্তানের ছেলে রিপাত হোসেন। সে কিশোর গ্যাং, ইভটিজার, মাদকসেবী ও অপহরণকারী হিসেবে এলাকায় চিহ্নিত। সম্প্রতি ৭নং ওয়ার্ডের মুন্সিয়ার বাড়ির হানিফের ছেলে তামভীরকে অপহরণ করে এক কোটি টাকা মুক্তিপন দাবি করে রিপাত। এঘটনায় জানতে পেরে পুলিশ আটক করে। ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের পাটোয়ারী বাড়ীর আহসান উল্লাহর ছেলে রুবেল, জুয়েল ও জীবন। তারা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ইয়াবা সরবরাহকারী এবং সেবনকারী হিসেবে পরিচিত। এলাকার কোন মানুষ প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা মামলার হুমকি দেয়, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে জিম্মি করে রাখে। তিন ভাইয়ের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ট ও ভীত সন্তষ্ট থাকছে।

    একই ওয়ার্ডের গাজি বাড়ীর তোফায়েলের ছেলে হান্নান ও শাকিল পুলিশের তালিকাভুক্ত ফেরারি আসামী।

    তারা মাদক সেবনকারী, সরবরাহকারী ও কিশোর গ্যাং এর সদস্য। এই দুই ভাই নতুন প্রজন্মকে মাদক সেবন ও ব্যবসায় উৎসাহিত করছে। মোল্লা বাড়ীর আবদুল মজিদের ছেলে ইয়াবা ব্যাবসায়ী কানা বাবু পুলিশের তালিকাভুক্ত ফেরারি আসামী।

    এলাকাবাসী জানান, ৭নং ওয়ার্ডের জনৈক নারী মুনাফার শর্তে ইয়াবা ডিলারদের অর্থ সরবরাহ ছাড়াও কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং ও অপহরণ চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান।।।

    রায়পুর থানার ওসি ইয়াসিন ফারুখ মজুমদার আইনশৃংখলা সভায় জানান, চরপাতা ও বামনী ইউপির চেয়ারম্যান ও ১৩০ জন তরুন ও যুবক মাদক এবং ইভটিজিংয়ের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। দুই মাদক ব্যাবসায়ী ও ইভটিজারকে আটক করেছি। অন্যদের বিষয়ে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

    বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শহরকেন্দ্রিক এবং চরপাতা গ্রামের কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা জড়ো হয় গাজি কমপ্লেক্স, মার্চেন্টস একাডেমির সামনে, সরকারি কলেজের সামনে, মহিলা কলেজের আশেপাশে, নতুনবাজার, বামনী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে, কাপিলাতুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে, চরপাতা ইসহাকিয়া মৈত্রী বিদ্যালয়ের সামনে, গাজিনগর বাজার ব্রীজের ওপর, মজিবুল হক একাডেমির সামনে, চরপাতা ইউপি পরিষদের আশেপাশে, বোয়াডার বাজার ও শেখ কামাল শিশু পার্কের সামনেসহ বিভিন্ন এলাকায় ছোটো-বড়ো কিশোর গ্যাং গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।

    এদের মধ্যে আধিপত্য, মাদক, নারী, স্ট্যান্ড দখল, সিনিয়র-জুনিয়রসহ নানা ধরনের ছোটো খাটো বিষয় নিয়ে দেশিয় অস্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, মারামারি ঘটনাও ঘটছে।

    এ ছাড়া বিভিন্ন স্কুল-কলেজের মোড়ে বা অলি-গলির চা দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্য ইভটিজিং এবং বীরদর্পে সিগারেট ফুঁকালেও কেউ কিছু বলার সাহস করে না। এরা বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী বা স্কুলছুট হওয়ায় এদের বয়স ১৩ থেকে ১৯-এর মধ্যে।

    চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মামুন রশীদ বলেন, কিশোর গ্যাং দেশের অপরাধ জগতের নব আবির্ভূত এক অপরাধী চক্র। বখাটে কিছু কিশোর ও মাদক ব্যাবসায়ী দলবন্ধ হয়ে আমার ইউনিয়নে চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ ও ইভটিজিং এমনকি খুন খারাবির দিকে লিপ্ত হয়ে পড়ছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

    তিনি আরো বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নিতে মাসিক আইনশৃংখলা সভায় আমিসহ এলাকার ১৩০ তরুন, যুবক ও অভিভাবক এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

    এ বিষয়ে রায়পুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াসিন ফারুখ মজুমদার বলেন, কিশোর গ্যাং বিষয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। চরপাতা ও বামনী ইউপির চেয়ারম্যান এবং চরপাতা গ্রামের ১৩০ তরুন ও যুবক লিখিত অভিযোগ করেছেন। মানবিক বিষয়টি সামনে রেখে প্রথমে কাউন্সেলিং করা এবং শেষ পর্যায়ে আসে অ্যাকশনের বিষয়টি। কারা জড়িত এবং তাদের লিডার কে-এসব খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।

    লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের এমপি নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, আইনশৃংখলা সভায় চরপাতা গ্রাম (স্মার্ট গ্রাম) সহ বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাং, ইভটিজার, মাদকসেবি ও ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে ইউএনও ও ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • লক্ষ্মীপুরে গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৭জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১

    লক্ষ্মীপুরে গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৭জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকায় ঘরে ঢুকে গৃহবধু জোসনা আক্তারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৭জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

    বুধবার(১৭ এপ্রিল )ভোরররাতে লক্ষ্মীপুরে মেঘনা বাজার ও চট্রগামসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল)দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব ১১ এর নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ।

    গোলাম মোর্শেদ বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে আসামীরা জড়িত। তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। সবাইকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে। অন্য আসামীদেরও গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, মো. ইব্রাহিম, সিরাজ উদ্দিন, এরশাদ হোসেন, জাকির হোসেন, রিমন হোসেন রাকিব হোসেনসহ ৭জন।

    এর আগে মঙ্গলবার নিহত জোসনা বেগমের বাবা ইছমাইল হোসেন বাদী হয়ে ১০জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৪জনকে আসামী করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    উল্লেখ্য, রমজান মাসে ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকার আলাউদ্দিনের বসতঘরের পাশের একটি পুকুরে ড্রেজিং এর মাধ্যমে মাটি উত্তোলন করে নেয় সিরাজ উদ্দিন।এর ৪/৫ দিন পর ওই পুকুরে আবারও পানি নিষ্কাশনের জন্য সেচ পাম্প বসায় সিরাজ।

    এতে বাড়িঘর পুকুরে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় বাধা দিলে আলাউদ্দিনের সাথে সিরাজের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় সিরাজ। এরই মধ্যে ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে বাড়ী আসেন সিরাজের ভাই পারভেজ হোসেন ও নিজাম উদ্দিন।

    ওই বিরোধের জের ধরে সোমবার ভোররাত তিনটার দিকে আলাউদ্দিনের বসতঘর হামলা চালায় সিরাজ, মাহফুজ ও নিজামসহ ১৫ জনের একটি সংঙ্গবদ্ধ দল।

    এসময় দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী জোৎসনা বেগমকে গুরুত্বর আহত করে তারা। পরে স্থানীয়রা আহত স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জোৎসনা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।

    স্বামী আলাউদ্দিনের অবস্থায় সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে আলাউদ্দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থায় আগের মতোই।

  • লক্ষ্মীপুরে ছাত্র নেতা সজীব হত্যা, প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে ছাত্র নেতা সজীব হত্যা, প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা এম. সজীব হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে।

    বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ১২ থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে আওয়ামী লীগ ও দলের সহযোগী সংগঠনগুলোর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    এসময় হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা ও মামলার প্রধান আসামি চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুসহ খুনিদের গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম. ছাবির আহমেদ, ওহিদুজ্জামান বেগ বাবলু, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক কাজী সোলায়মান, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা কৃষকলীগের সভাপতি জাকির হোসেন জাহাঙ্গীর, চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তালেব, চন্দ্রগঞ্জ থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক সাহাব উদ্দিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক রিংকুসহ অনেকেই।

    এছাড়াও আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নেয়। প্রতিবাদ সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের একটাই স্লোগান অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে, অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

    প্রতিবাদে সমাবেশে চলাকালীন সময়ে স্থানীয়রা প্রশাসন সতর্ক অবস্থায় ছিলো কোন ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেনি, শান্তিপূর্ন ভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ শেষ হয়।

    প্রসঙ্গত, গত ১২ এপ্রিল (শুক্রবার) রাতে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের যৌদের পুকুরপাড় এলাকায় দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা এম. সজীব, সাইফুল পাটওয়ারী, মো. রাফি ও সাইফুল ইসলাম জয় আহত হয়।

    মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজীব মারা যায়।

    এর আগে সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে সজীবের মা বুলি বেগম বাদী হয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাজী বাবলুকে প্রধান করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে আরো ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

    একই দিন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার দ্বিতীয় আসামি চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম তাজু ভূঁইয়াসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা জেলা কারাগারে রয়েছে।

    নিহত সজীব চন্দ্রগঞ্জের পাঁচপাড়া এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে ও চন্দ্রগঞ্জস্থ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী ছিলেন।

  • লক্ষ্মীপুরে আহত ছাত্রলীগ নেতা সজীব মারা গেছেন | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে আহত ছাত্রলীগ নেতা সজীব মারা গেছেন | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় ৪ দিন পর আহত ছাত্রলীগ নেতা এম সজীব মারা গেছেন।

    মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২ টার দিকে ঢাকার পপুলার হাসপাতালের নিবীড় পর্যবেক্ষণ কক্ষে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    এর আগে ১২ এপ্রিল (শুক্রবার) রাত ২ টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের যৈদের পুকুরপাড়ে অতর্কিত হামলায় সজিবসহ ৪ জন আহত হয়। অভিযোগ রয়েছে তাদেরকে গুলিও করা হয়েছে।

    মৃত সজিব চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী। আহত অন্যরা হলেন- ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুল পাটওয়ারী, সাইফুল ইসলাম জয় ও রাফি। আহতরা ছাত্রলীগ নেতা মাসুদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

    চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, দ্বিতীয় রমজান থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাজী বাবলুর সঙ্গে আমার বিরোধ দেখা দেয়। এর জের ধরেই আমার লোকজনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    বক্তব্য জানতে চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ও থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু বলেন, আমার সাথে বিরোধ আছে ঠিকই কিন্ত ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। তৃতীয় পক্ষ এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমি ধারনা করছি।

     

  • লক্ষ্মীপুরে আলোচিত শিক্ষক নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩ | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে আলোচিত শিক্ষক নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩ | সময়ের নুর নিউজ ডট কম

    লক্ষ্মীপুরে শিক্ষক নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩

    লক্ষ্মীপুরে মলমপার্টি অপবাদ দিয়ে স্কুলশিক্ষক আক্তার হোসেন বাবুকে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে পেটানোর ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে তাদের লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

    আক্তার লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের লাহারকান্দি এলাকার মৃত লকিয়ত উল্যাহর ছেলে ও ঢাকার ক্যামব্রিজ স্কলারর্স স্কুলের শিক্ষক।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শহীদ আলম, সাইমন হোসেন ও তার ভাই শ্রাবণ। শহীদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল মান্নানের ছেলে, সাইমন ও শ্রাবণ একই এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, রোববার রাতে ভুক্তভোগী আক্তারের ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ বাদী হয়ে সুমন ওরফে পেঁচা সুমনসহ আটজনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা করেন। রাতেই পৌর শহরের সমসেরাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

    জানা গেছে, শুক্রবার রাতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলীর পুল এলাকায় শিক্ষক আক্তারের ওপর বর্বর এ নির্যাতন চালানো হয়েছে। তিনি সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    পরিবার সূত্র জানায়, ঈদের ছুটিতে আক্তার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর আইয়ুব আলীর পুল এলাকায় তিনি ছোট ভাই মাসুদের বাড়িতে দাওয়াতে যান। সেখান থেকে আসার পথে পেঁচা সুমন, সাইমন হোসেন, অটোরিকশা চালক আলাউদ্দিন আলো, মমিন উল্যাহ ও শ্রাবণসহ কয়েকজন তাকে মলম পার্টি অপবাদ দিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ফেলে।

    একপর্যায়ে তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে তাকে জনসম্মুখে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তারা।

    লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, শিক্ষককে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।