1. somoyernurnews@gmail.com : somoyernurnews :
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
ডেমরায় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের তৎপরতায় ২০টন রড নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ট্রাকটি উদ্ধার | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম লক্ষ্মীপুরের মান্দারিতে জুয়েলারি ব্যবসায়ী কে অপহরণের অভিযোগ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছি: লক্ষ্মীপুরে পানিসম্পদমন্ত্রী | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম চন্দ্রগঞ্জ বাজারে জমজমাট ঈদের কেনাবেচা | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম চন্দ্রগঞ্জে বাজার ইজারার খাজনা আদায় নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন এ্যানি চৌধুরী মন্ত্রী হওয়ায় লক্ষ্মীপুরে নেতাকর্মীদের উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান,কে কে হলেন মন্ত্রী-প্রতি মন্ত্রী | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম ফের লক্ষ্মীপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির ৪৫০ প্যাকেট বিরিয়ানি জব্দ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে সেতুর ওপরে সাঁকো জোড়া দিয়ে চলছে ৭ গ্রামের মানুষ | দৈনিক সময়ের নুর ডট কম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট এর সময় : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৪৮ বার দেখা হয়েছে

 

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গনিপুর গ্রামে রহমতখালী খালের ওপর সেতুরটির মধ্যাংশ ভেঙে মাটিবাহী ট্রাকসহ খালে পড়ে যায়।

দুই বছর আগের এ ঘটনার পর চলাচলের জন্য স্থানীয় লোকজন ভাঙা অংশে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে।

এরপর থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর দু’পাড়ের ৭ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ সাঁকো দিয়ে চলাচল করে আসছে। ব্যস্ততম এ সড়কে চলাচলকারীরা সেতুটি নির্মাণ করার দাবি জানিয়ে আসলেও কোনো সুফল আসেনি।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর এলজিইডি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সড়কের প্রকল্পের সঙ্গে ভেঙে পড়া সেতুটি অন্তর্ভুক্ত করে বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে জনগণ এর সুফল ভোগ করতে পারবেন। কিন্তু কোন নির্দিষ্ট সময়ের কথা তিনি বলতে পারেননি।

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, লক্ষ্মীপুরের গনিপুর গ্রামের সঙ্গে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার মানুষের চলাচলের জন্য কামার বাড়ি সড়কের রহমতখালী খালের ওপর লোহার স্প্যান দিয়ে সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০০৮ সালে এলজিইডি এটি নির্মাণ করে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে মাটি বহনকারী ট্রাকসহ সেতুটির মধ্যাংশ ভেঙে খালে পড়ে যায়। এতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

পরে স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে ভাঙা স্থানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল শুরু করে।

নিয়মিত অর্ধলক্ষাধিক মানুষ এ রুট ব্যবহার করেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। এরমধ্যে লক্ষ্মীপুরের গনিপুর, রাজাপুর, ছোট বল্লভপুর ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানুল্লাহপুর, কামালপুর, দেবীদেবপুর ও বালুচরা গ্রাম রয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটিতে যানবাহন চলাচল করতে না পারায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নারী-শিশুসহ হাসপাতালগামী রোগীদের। অনেকে ভয়ে সাঁকোর পরিবর্তে জেলা সদর হয়ে কয়েক কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করছেন। এছাড়াও সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে প্রায়ই স্থানীয় শিক্ষার্থীরা পা পিছলে খালে পড়ে দুঘর্টনার শিকার হচ্ছে।

স্থানীয় কয়েকজন  অভিভাবক জানান, কাছে বিদ্যালয় না থাকায় লক্ষ্মীপুরের গনিপুরের কয়েকশ ছাত্রছাত্রী ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে বেগমগঞ্জের বালুচরা ইব্রাহিম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, হাসানিয়া আলিম মাদরাসা, বালুচরা সমাজকল্যাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালুচরা কিন্টারগার্ডেন ও ইব্রাহিমিয়া হাফেজী মাদরাসায় যাতায়ত করে।গত ২ বছরে বহু শিক্ষার্থী খালে পড়ে জখম হয়েছে। এতে ভয়ে কিছু অভিভাবক শিশুদের স্কুল পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বৃষ্টি হলে সাঁকোটি পিচ্নছিল ও নড়বড়ে হয়ে যায়। কিছুদিন পরপর বাঁশ ভেঙে যাওয়ায় চলাচল করতে আমাদের ভয় হয়। কেউ অসুস্থ হলে যথা সময়ে হাসপাতালে পৌঁছানো যায়না কারন কয়েক কিলোমিটার ঘুরে হাসপাতালে যেতে হয়।

আলাইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) মোফাচ্ছেল হোসেন মশু বলেন, গত দু’বছর আগে সেতুর মাঝের অংশ ভেঙে গলেও এখনো তা সংস্কার করা হয়নি। দু’পাড়ের ৫-৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন যাতায়াতে বেগ পেতে হয়।

তিনি আরো বলেন, প্রকৃত পক্ষে এ অঞ্চলটি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর বর্ডার এলাকা হওয়ায় বাসিন্দারা সুবিধাবঞ্চিত।

লক্ষ্মীপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী (এলজিইডি) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইকরামুল হক বলেন, কয়েকটি সড়কের প্রকল্পের সঙ্গে রহমতখালী খালের ওপর ভাঙা সেতুটি অন্তর্ভুক্ত করে বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলে টেন্ডার হবে, এরপর জনগণ এর সুফল পাবেন।

দয়া করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 সময়ের নূর
Theme Customized BY LatestNews